৩০শে মে, ২০২০ ইং | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনায় মৃত বিয়ানীবাজারের আবুল কাশেমের দ্বিতীয় নমুনাও ‘পজেটিভ’

https://beanibazarnews24.com/wp-content/uploads/2020/05/kashem-2nd-nomuna.jpg

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত বুধবার মধ্যরাতে সিলেট শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিয়ানীবাজারের আবুল কাশেম মারা যান। মৃত্যুর পুর্বে তাঁর শরীর থেকে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করে ওসমানীর ল্যাবে প্রেরণ করেন শহীদ শামসুদ্দীনের দায়িত্বশীল চিকিৎসকরা। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তাঁর দ্বিতীয় করোনা রিপোর্টও পজেটিভ আসে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু ইসহাক আজাদ।

ডা. আবু ইসহাক আজাদ বলেন, বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়া আবুল কাশেমকে। পরে সেখানে ভর্তি হওয়ার ঘন্টা দুয়েক পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে ভর্তি হওয়ার কিছুক্ষণ পর তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে ওসমানীর ল্যাবে প্রেরণ করেন শহীদ শামসুদ্দীনের দায়িত্বশীল চিকিৎসকরা। শুক্রবার সেই নমুনার রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। তিনি বলেন, তাঁর সংস্পর্শে ইতোমধ্যে ৬জনের নমুনা ল্যাবে পাঠিয়েছে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীলরা। এছাড়া করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়ার পর যারা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন শনিবার সেই নমুনাগুলোও গোলাপগঞ্জের স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীলরা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠাবেন।

আবুল কাশেমের বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের মাটিজুরা টুকা-মালোপাড়া গ্রামে হলেও তিনি পার্শ্ববর্তী গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেপাশা ইউনিয়নের আছিরগঞ্জ বাজারের একটি ভবনে স্বপরিবারে তিনি ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। তিনি সেই বাজারের একজন পল্লী চিকিৎসক ও ওষুধ ব্যবসায়ী। তিনি বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার ঐক্য কল্যাণ সোসাইটি গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক।

জানা গেছে, আবুল কাশেমের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে গত ১৪ মে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীলরা। পরে গত ১৯ মে তাঁর করোনা ‌‘পজিটিভ’ রিপোর্ট আসে। এরপর বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়া আবুল কাশেমকে। পরে সেখানে ভর্তি হওয়ার ঘন্টা দুয়েক পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, থানা পুলিশ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি দলের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন ও সহযোগিতায় তিলপাড়া ইউনিয়নের মাটিজুরার টুকা-মালোপাড়া এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে আবুল কাশেমের জানাজা ও দাফন কাজ সম্পন্ন হয়।

এদিকে, আবুল কাশেম গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার টিকরবাড়ি গ্রামের প্রথম রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন। আবুল কাশেমের পরিবারের ৫ সদস্যসহ ৬জনের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে। সেই রিপোর্টগুলো এখনো অপেক্ষমান রয়েছে। তাঁর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তাঁর সংস্পর্শে আসা অন্যদের নমুনা সংগ্রহ করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুল ইসলাম শাহিন।

‘এবি টিভি’র সর্বশেষ প্রতিবেদন-

A+ A-

সর্বশেষ সংবাদ

বিয়ানীবাজারের প্রথম উপসর্গযুক্ত করোনা রোগী ব্যবসায়ী কুনু মিয়া

সিলেটের ওসমানী ল্যাবে ৩১ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত

সিলেটে র‍্যাব-৯ এর ১৩ সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

বিয়ানীবাজারে নতুন আরও ২জন করোনা রোগী শনাক্ত

বিয়ানীবাজারে পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

বিয়ানীবাজারে পোনা ধরতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

ঘোষণাঃ

Translate »