২৭শে মে, ২০২০ ইং | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়- ফটকের সামনেই ময়লার ভাগাড়

https://beanibazarnews24.com/wp-content/uploads/2019/09/Beanibazarnews_pilot_school.jpg

সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে যাতায়াতের নিরাপদ পথ হচ্ছে সিটি সুপার মার্কেটের ভেতর দিয়ে যাওয়া সড়কটি। স্কুল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বাড়ি ফেরা এবং হোস্টেলে (বর্তমানে মধুবন সুপার মার্কেট) যাওয়া-আসার জন্য সড়কটি নির্মাণ করা হয়। তবে বেশ কয়েক বছর আগে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই বিশাল মার্কেট নির্মাণ করায় সংকুচিত হয়ে পড়ে সড়কটি। বর্তমানে ফটকের সামনের এলাকাটি আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এ কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের।

জানা যায়, সিটি সুপার মার্কেট, পার্শ্ববর্তী হকার মার্কেটসহ অন্যান্য মার্কেটের সব ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয় ওই সড়কে। সিটি করপোরেশন থেকে ময়লা-আবর্জনা সরানোও হয়। তবে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থান না হওয়ায় ওই এলাকায় প্রায়ই ময়লার পাহাড় জমে ওঠে। স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুরোধে মাঝেমধ্যে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ আবর্জনা নিয়ে গেলেও তাতে দুর্ভোগ কমে না। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা যে যার মতো করে বিদ্যালয়ের ফটকের সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলেন। এতে ভাগাড়ে পরিণত হয় ওই এলাকা।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, এ সড়কটি বিদ্যালয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মূল যে সড়ক, সেটি সব সময় থাকে কোলাহলপূর্ণ। সিলেটের অন্যতম পাইকারি হাট কালীঘাট। এ কারণে ওই সড়ক দিয়ে বড় বড় ট্রাক যাতায়াত করে। এতে যাদের নিজস্ব যান আছে, তারাও যানজট ও দুর্ঘটনার ভয়ে সিটি করপোরেশনের সামনে গাড়ি রেখে হেঁটে স্কুলে যান। আর সেই পথটিতে পড়ে থাকে আবর্জনার স্তূপ।

স্কুল সূত্র জানায়, এ সড়কটি আগে বেশ প্রশস্ত ছিল। কিন্তু বেশ কয়েক বছর আগে সিটি করপোরেশন মার্কেট নির্মাণের সময় সড়কটি সংকুচিত করে ফেলে। বর্তমানে ওইগুলো ভেঙে নতুন করে ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। তারা যেন সড়কটি আগের মতো প্রশস্ত রাখেন, সেজন্য স্কুল থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পাইলট স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক আবদুল মুকিত বলেন, ছেলে বিদ্যালয়ে পড়ছে প্রায় দুই বছর ধরে। তিনি প্রথম কালীঘাট সড়ক ব্যবহার করেছিলেন। এখন আর ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন না। কারণ কালীঘাট দিয়ে প্রায়সময় ট্রাক চলাচল করে। এতে দুর্ঘটনাও ঘটে।

তিনি বলেন, যে সড়কটি তারা ব্যবহার করেন সেটিও অনেকটা অনুপযোগী। ওই সড়কে ব্যবসায়ীরা ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখেন যত্রতত্র। এ ছাড়া ফটকের সামনেই ফেলে রাখা হয় আবর্জনা। নাকে রুমাল চেপে ময়লা-আবর্জনা ডিঙিয়ে সন্তানকে স্কুল থেকে আনা- নেওয়া করতে হচ্ছে অভিভাবকদের।

স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সাদমান সাকিব জানায়, স্কুলের যাওয়া-আসার সময় নাকে রুমাল চাপা দিয়ে যেতে হয়। অনেক সময় ময়লা ফটকের সামনে চলে আসে। তখন আরও বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়। বর্ষায় অনেক সময় সড়ক দিয়ে হাঁটাও কষ্টকর হয়ে ওঠে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক কবির খান বলেন, এটি নিয়ে আমরা অতিষ্ঠ। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা সড়কটি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু প্রায়ই ওই এলাকায় ময়লার পাহাড় জমে। আমরা ব্যবসায়ীদেরও বলেছি ময়লা এখানে না ফেলতে। তার পরও তারা নির্ধারিত স্থানে ময়লা না ফেলে ফটকের সামনেই ফেলেন।

A+ A-

সর্বশেষ সংবাদ

সিলেটে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

করোনার হটস্পট 'গোলাপগঞ্জ', ১২ দিনে ২৩জন পজেটিভ শনাক্ত

সিলেটে নতুন আরও ১৮জন করোনা পজেটিভ, ৭'শ ছাড়াল আক্রান্তের সংখ্যা

'আমরা ভালো আছি, আপনারা ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন'

বিয়ানীবাজারে স্বেচ্ছায় সঙ্গনিরোধ হলেন ডা. শিব্বির আহমদ সোহেল, চেম্বার বন্ধ

বিয়ানীবাজারে করোনাভাইরাসও পৃথক করতে পারেনি মা-সন্তানের বন্ধন!

ঘোষণাঃ

Translate »