বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে অনিয়ম, জাল ভোট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে উচ্চ আদালতে রীট আবেদন করেছেন পৌর প্রশাসক তফজ্জুল হোসেন। সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে গত ২ মে তিনি এ রীট (৬১৫৫) আবেদন করেন। আবেদেনের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে নানা অসংগতি তুলে ধরা হয়।

পৌর প্রশাসক তফজ্জুল হোসেনের রীট আবেদনটি আগামীকাল সোমবার শুনানির কথা রয়েছে। তিনি এ আবেদনে ২,৩,৪,৫,৬ ও ৭নং ওয়ার্ডে পুনর্নির্বাচনের আবেদন করেন।

এদিকে রীট আবেদনের বিষয়টি জানাজানি হলে পৌরবাসীর মধ্যে শংকা দেখা দিয়েছে। গত ১৬ বছর থেকে পৌরসভার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উচ্চ আদালতে নয়টি রীট আবেদন করা হয়। এসব রীট আবেদনের কারণে পৌরসভার প্রথম নির্বাচন ১৬ বছর অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার কারণে তফজ্জুল হোসেনের রীট আবেদনের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা লক্ষ্য করা গেছে। এ বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকেও কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

গত ২৫ এপ্রিল পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে ৯ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কসবা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ও জাল ভোট প্রদানের অভিযোগে ফলাফল  বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এ কেন্দ্রে আগামী ৮ মে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী পৌর প্রশাসক তফজ্জুল হোসেন, বিএনপি মেয়র প্রার্থী আবু নাসের পিন্টু ও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আব্দুস শুকুর প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন।

এ বিষয়ে জানতে পৌর প্রশাসক তফজ্জুল হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁর মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁর কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, আমি এ বিষয়ে কোন কিছু জানি না। নির্বাচন কমিশনের নিদের্শনা মেনে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোন নিদের্শনা আসলে সেটিও  যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হবে।

৬১৫৫