রাত পোহালে বিয়ানীবাজার পৌরসভা নির্বাচন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিয়ানীবাজার পৌরসভা প্রথম নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন ব্যাপক নিরাপত্তা গ্রহণ করেছে। প্রতিনি কেন্দ্রে কমপক্ষে ১০জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১৪জন করে আনছার-ভিডিপি সদস্য থাকবে। এছাড়া ৬টি স্টাইকিং ফোর্স ও ৫টি মোবাইল কোর্ট টহল দেবে নির্বাচনী কেন্দ্র এলাকায়।

উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিজিবি’র ৬টি স্টাইকিং ফোর্সের সাথে থাকবেন একজন করে ম্যাজিস্টেৃট। দুইটি কেন্দ্র ভাগ েহয়ে ৫টি স্টাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে। স্টাইকিং ফোর্সের একটি দল থাকবে রিজার্ভ হিসাবে। যেকোন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তারা কাজ করবে। এছাড়া ৫জন ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে মোবাইল কোর্ট নিয়ে।

বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের সহকারি পরিচালক (এডি) হারুনুর রশিদ বলেন, বিজিবি’র ৬টি স্টাইকিং ফোর্স থাকবে। ফলাফল ঘোষণা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এ ফোর্স একজন করে ম্যাজিস্ট্রেটের অধিনে দায়িত্ব পালন করবে।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার নিদের্শ রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে ১০করে পুলিশ সদস্য থাকবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, সকলের সহযোগিতায় আমরা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেব। এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি খুব ভাল। তারপরও যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছি।  সব কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, আইন শৃঙ্খলার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নিয়োগকৃত ৬জন পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মু: আসাদুজ্জামান বলেন, বিয়ানীবাজার পৌর নির্বাচন ঘিরে এখনো কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কারণে এখানে সুন্দর ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রয়েছে। তারপরও নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পুরো পৌরসভাকে আমরা নিরাপত্তর বলয়ের মধ্যে রেখেছি। কোন পক্ষ নির্বাচনকে প্রশ্ন বিদ্ধ করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।