কোরবানির পশুর হাট শুরু হয়ে গেছে। বিয়ানীবাজার উপজেলায় পাঁচটি স্থায়ী হাটের সাথে অস্থায়ী আরও পাঁচটি হাট বসার অনুমতি রয়েছে। তবুও সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন এলাকাজুড়ে রাস্তায় রাস্তায় বসেছে পশুর হাট।  এসব হাটে নেই সুরক্ষা সরঞ্জামাদির কোন ব্যবস্থা। ক্রেতা-বিক্রেতাদের কারোও মুখে নেই মাস্ক। রাস্তায় কোরবানির পশুর হাট বসায় সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মহামারী করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার সরকার কোরবানির পশুর হাট নিয়ে কঠোর অবস্থানে ছিল। কিন্তু শেষ মুহুর্তে সাধারণ মুসল্লিদের কথা চিন্তা করে সরকার শেষ মুহুর্তে অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আর সেই লক্ষ্যে ইজারাদারদের কঠোর শর্ত দেয়া হয়েছে। সেই শর্তগুলো হচ্ছে, রাস্তা এবং যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় এমন স্থানে হাট বসানো যাবেনা। হাটে দুটি রাস্তা থাকতে হবে। প্রবশে এবং বাইরে আসার পথে থাকতে হবে স্যানিটাইজার। এসব না থাকলে ইজারাদারদের কঠোর শাস্তির দেয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। মোটা অংকের জরিমানা আদায় করার কথা।

এদিকে, সরকারি শর্ত উপেক্ষা করে বিয়ানীবাজারের একাধিক এলাকায় রাস্তায় গড়ে তোলা হয়েছে অস্থায়ী পশুর হাট। সরেজমিনে উপজেলার মাথিউরার ভাটাবাজার, ঈদগাহ বাজার, দাসউরা বাজার, আছিরগঞ্জ বাজার, জলঢুপ, বারইগ্রাম, গোডাউন বাজার, বৈরাগীবাজার, কাকরদিয়া, মেওয়া, জিরো পয়েন্ট, শেওলা পল্লী বিদ্যুৎ, চারখাই বাজার ও রামদা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কোরবানির পশুর হাটের পরিবর্তে রাস্তার পাশে গড়ে তোলা হয়েছে একাধিক অস্থায়ী হাট। এসব পশুর হাটের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস প্রতিরোধক কোন শর্তই পূরণ হচ্ছেনা। অন্যদিকে, রাস্তার পাশে হাট গড়ে তোলায় সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে বেগ পেতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক নূর জানান, রাস্তায় কোরবানির পশুর বসানোর কোন অনুমতি নেই। আমরা খোঁজ নিয়ে এসব স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবো।

স্মাইল ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামের অসচ্ছলদের ঘরে ঘরে