সিলেট শহরতলির শাহপরান থানার মীরমহল্লায় দুই সন্তানসহ মা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক ১৭ বছর বয়সী আহবাব হোসেন আবাদকে ১৯ বছর নির্ধারণ করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছিল পুলিশ। আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে আবাদ তাঁর বয়স ১৭ বছর বলায় তাকে কারাগারে না পাঠিয়ে নিরাপত্তা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আহবাব হোসেন আবাদ তার বয়স ১৭ বছর বলে জানায়। জবানবন্দি দেওয়ার পর শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে পুলিশের কাছ থেকে আবাদকেকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেওয়া হয়। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিশু আদালতে কিশোরকে হাজির করে পরবর্তী নির্দেশনার জন্য আবেদন করা হবে। আদালতের নির্দেশ পেলে শিশু আইন ও শিশু সুরক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী মামলাটি শিশু আদালতে স্থানান্তর ও তাকে সংশোধনাগারে পাঠানো হবে।

শাহপরান থানাপুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মীরমহল্লায় শয়নকক্ষ থেকে রুবিয়া বেগম চৌধুরী (৩০), তাঁর মেয়ে জান্নাতুল হোসেন মাহি (৯) ও ছেলে তাহসান হোসেন খানের (৭) লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় কক্ষে রক্তমাখা ছুরিসহ রুবিয়ার সৎ ছেলে আহবাব হোসেন আবাদকে (১৭) আটক করে পুলিশ।

আটকের পর আবাদ পুলিশকে জানায়, ভাত খেতে চেয়ে না পাওয়ায় সৎমা ও ভাই-বোনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে সে। এরপর গত শুক্রবার রাতে নিহত রুবিয়ার ভাই আনোয়ার হোসেন বাদি হয়ে আবাদকে আসামি করে শাহপরান থানায় হত্যা মামলা করেন।

কিন্তু শনিবার দুপুরে মহানগর পুলিশ ওই আহবাব হোসেন আবাদের নাম ও পরিচয় উল্লেখ করে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায়। এতে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে কিশোরের বয়স ১৯ বছর উল্লেখ করা হয়। আবাদের বাবা বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের আস্টগরি গ্রামের বাসিন্দা আবদাল হোসেন খান জানান, তাঁর ছেলের বয়স ১৮ বছরের নিচে। তার জন্ম ২০০৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতেও ওই আবাদ বলেছে, তার বয়স ১৭ বছর।

আইন অনুযায়ী- অপরাধীর বয়স যদি ১৮ বছরের নিচে হয়, তাহলে শিশু আইন ও শিশু সুরক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

নানা আয়োজনে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি উদযাপন