শনিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন তরুণ আনোয়ার হোসেন। রবিবার একই সময়ে তিকি কবরবাসী। ঘাতকদের সূচালো ছুরিকাঘাতে চির উচ্ছ্বল আনোয়ারকে বিদায় নিতে হলো অকালে।

আজ রবিবার সকাল ১০টায় সুপাতলা ওসমানি স্টেডিয়ামে জানাযার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। শোকাহত মানুষ ও স্বজনদের চোখের জলে চির বিদায় নেন আনোয়ার।

মাতৃহারা আনোয়ার শনিবার সকালে বাড়ি থেকে বের হন কাউকে কিছু না বলে। প্রতিদিনের মতো তার এ বের হওয়া যে শেষ বের হওয়া হবে সেটা গুনাক্ষরেও কেউ চিন্তু করেনি।

প্রশাসন ও উপজেলার সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলদের ধারণা- আনোয়ারের এ হত্যা পূর্বপরিকল্পিত। তাকে হত্যা করতে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসা হয়। এরপর এক সাথে অনেক্ষণ কাটানোর পর সুযোগ বুঝে খুন করা হয় আনোয়ারকে।

জানা যায়, সুপাতলা গ্রামের সিরাজ উদ্দিন কনিষ্ট পুত্র আনোয়ার হোসেনের সাথে বছর খানেক পূর্বে কসবা কোনাপাড়ার পঙ্খি মিয়ার পুত্র রাহেলের মারামারি ঘটে। হোটেলে বসাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে মারামারিতে রাহেল আঘাতপ্রাপ্ত হয়। সে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হওয়ার পর সে ঘটনা সামাজিকভাবে নিষ্পত্তি করা হয়। সে ঘটনায় থানায় মামলাও দায়ের করা হয়েছিলো।

পুলিশের ধারণা, পূর্বের সেই বিরোধ থেকেই ঘাতক রাহেল আনোয়ারকে খুন করেছে। এর মধ্যে হয়তো সে আনোয়ারের সাথে সু সম্পর্ক তৈরী করেছিলো।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি শাহজালাল মুন্সী আনোয়ারের জানাযার পূর্বে হাজারো মানুষের সামনে খুনীকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের বিষয়টি অবহিত করেন। এ সময় তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।