সেপ্টেম্বর মাস থেকে দেশে আর কোনো লোডশেডিং থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসই লোডশেডিংয়ের সবশেষ মাস হতে পারে।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, লোডশেডিং নিয়ে বৈঠকে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকে লোডশেডিং আস্তে আস্তে কমে যাবে। বিশ্বব্যাপী মন্দা কেটে যাচ্ছে।

দেশের পরিস্থিতি ভালো হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, অনেকে বলেছিলেন দেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে গেলো। ইনশা আল্লাহ শ্রীলঙ্কা হয়নি, দুই মাস হয়ে গেলো। রিজার্ভ নামছিল, এখন টেকসই অবস্থায়। রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। ঈদের পর বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছি অনেক, ৩০ শতাংশ বেড়েছে। এক্সপোর্ট হাওয়া ভালো, এছাড়া রাজস্ব আদায়ও ভালো।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা খাদে পড়বো না বরং খাদ থেকে উঠবো। জ্বালানি ধীরে ধীরে বিশ্ব মার্কেটে নামছে। জ্বালানি সমন্বয় করবো। ইউক্রেন-রাশিয়া পৃথিবীর চার ভাগের একভাগ খাদ্য উৎপাদন করে। ভয় কেটে যাবে আশা করছি। সমতল ধারায় ফিরে যাবে দেশের অর্থনীতি। এই বিশ্বাস আমাদের আছে।

একনেকের সভায় ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে এক হাজার ৬২৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ সহায়তা থেকে ৮৭৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পগুলো হচ্ছে
সোনাপুর-কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ (বসুরহাট-দাগনভুইয়া) আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথমানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫৭ কোটি টাকা। গল্পামারী-বটিয়াঘাটা-দাকোপ-নলিয়ান ফরেস্ট সড়কের ২৮তম কিলোমিটারে চুনকুড়ি নদীর উপর চুনকুড়ি সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫৮ কোটি টাকা।

এছাড়া কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু হকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। বিসিক মুদ্রণ শিল্প নগরী প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। বরেন্দ্র এলাকায় খালে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

‌বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি পেনসিলভেনিয়ার উদ্যোগে অর্থ বিতরন অব্যাহত