কানাডাস্থ ক্যুইবেক আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক মইনুল ইসলাম লিটন তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে বলেন, স্বপ্ন দেখি প্রতিনিয়ত একসময় কানাডা থেকেও মাতৃভূমি সিলেটে ইমিগ্রেশন শেষ করে ব্যাগেজ নিয়ে সোজা বাড়ি চলে যাব। কানাডা থেকে লন্ডনে হয়ে গেলে বাংলাদেশ বিমানে সে সুযোগ নেয়া যায়। যদিও কয়েকবার চেষ্ঠা করেও সিট খালি পাইনি, অনেক উচ্চ মূল্য নতুবা এখান থেকে কনফার্ম করা যায়নি।

নতুন সিদ্ধান্তে চমকে উঠলাম, লন্ডন থেকে সিলেটগামী বিমানের সকল যাত্রীকে ঢাকায় ইমিগ্রেশন সেরে ঐখানেই ব্যাগেজ নিয়ে নিতে হবে। সিলেট যেতে ঢাকা থেকে আবার নতুন করে বডিং পাস নিতে হবে। যেখানে লন্ডন থেকে মুষ্টিমেয় কয়েকজন যাত্রী ব্যাতীত পুরো বিমানটিতেই সিলেটি যাত্রী সেখানে এই সিদ্ধান্তটি কি সিলেটি যাত্রীদেরকে হয়রানীর উদ্দেশ্যে নয়?

সিলেট বিদ্বেষী আত্মঘাতী এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে দুরভিসন্ধিমুলক সিদ্ধাবতকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সময়ের দাবি বলে মনে করি।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

৭ বছরে বিয়ানীবাজারের ২২ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা পেয়েছে- ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশন