টানা কয়েকদিন থেকে ভারি ও মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে বিয়ানীবাজারসহ আশপাশ এলাকায়। বিরামহীন বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে বিয়ানীবাজার শহরসহ সিলেট-বারইগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের নিদনপুর এলাকা। বৃষ্টি পানি নেমে যেতে বাধাগ্রস্থ হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

বৃষ্টি হলেই মহাসড়কের নিদনপুরের ঔই এলাকায় পানি জমে গিয়ে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। গত কয়েক বছর থেকে এ অবস্থার সৃষ্টি হলেও কার্যত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে সড়ক ও জনপথ সিলেট। বিয়ানীবাজার পৌরসভার বর্তমান ও বিগত পরিষদের মেয়র ও কাউন্সিলরসহ স্থানীয়রা সাময়িকভাবে ব্যক্তি মালিকাধীন জায়গার উপর দিয়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা করে দিলেও সেটি বন্ধ রয়েছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন যানবাহন চালক ও সাধারণ যাত্রি।

মহাসড়কের জলাবদ্ধতা দেখা দেয়া এলাকা পাড়ি দিতে বিড়ম্বনা পড়েন রোগীবাহী পরিবহনসহ ছোট যানবাহন। অনেক যানবাহনকে ঠেলে ঔই অংশ পার হতে দেখা গেছে। ভুক্তভোগীরা এ অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন দাবি করেছেন।

স্থানীয় দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দায়িত্বশীলদের প্রতি আহবান জানিয়ে যান চালকরা বলেন, বৃষ্টির পানি নামার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। বৃষ্টি হলেই এখানে পানি জমে দুর্ভোগে সৃষ্টি করে। আমাদের গাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এ বিষয়টি প্রশাসনের দায়িত্বশীলসহ সড়ক ও জনপথের সংশ্লিষ্টরা বিহিত ব্যবস্থা নেবেন।

বর্ষাকালের মতো আশ্বিন মাসের বৃষ্টিতে সিলেট বারইগ্রাম মহাসগকের নিদনপুর এলাকায় দেখা দেয়া জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান চান স্থানীয়রা। আদালতের নির্দেশনা থাকায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না জানিয়ে পৌর মেয়র ফারুকুল হক বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা স্থায়ীভাবে সমাধানের চেষ্টা করবো। আদালত আমাদের উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছেন যাতে বিনা অনুমতিতে নির্মিত দেয়াল ও বাধ সরাতে না পানি। আগামী ২৫ অক্টোবর আদালতে আমাদের অবস্থান ব্যাখা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

‌সিলেট-বারইগ্রাম মহাসড়কের বিয়ানীবাজারের নিদনপুরে জলাবদ্ধতা, জনদুর্ভোগ