স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বছরব্যাপী কর্মসূচি পালন করবে সিলেট বিএনপি। আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালনের মধ্যদিয়ে সিলেট বিএনপি তাদের বছরব্যাপী কর্মসূচি শুরু করবে। এতদিন এ দিবস নিয়ে নানা সমালোচনা করে আসলেও এবার আলোচনা সভা করবে দলটি। তবে ‘এতদিন পরে হলেও তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হওয়ায় সাধুবাদ’ জানাচ্ছে সিলেট আওয়ামী লীগ।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এ দিন থেকেই শুর হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।

তিনি বলেন, ‘এ দিন আমরা আলোচনা সভা করব। এর পর বছরব্যাপী চলবে আমাদের কর্মসূচি। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের লক্ষ্যে আলাদা কমিটি করা হবে। এ কমিটির নেতৃত্বই চলবে বছরব্যাপী কর্মসূচি।’

জেলা বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান কোন ভাবেই অস্বীকার করার নয়। ঠিক তেমনই জিয়াউর রহমানের অবদানও কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। আবার দেশের স্বাধীন আওয়ামী লীগের একার অর্জন নয়৷ অথচ এখন জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাহলে কি আওয়ামী লীগ দেশ একাই স্বাধীন করল? এটা সত্য আওয়ামী লীগ ছিলো নেতৃত্বে। কিন্তু দেশ তারা একা স্বাধীন করেনি। এতো মানুষ যারা শহিদ হয়েছেন সকলে কি তাহলে আওয়ামী লীগ, যোগ করেন তিনি।’

এদিকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। এর পর থেকে এ দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে পালন করা হচ্ছে। কিন্তু দিবসটি পালনের শুরু থেকেই নানান সমালোচনা করে আসছে বিএনপি। এবার সকল সমালোচনা বাদ দিয়ে দিবসটি উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। তবে বিএনপির এমন ঘোষণাকে ‘ভণ্ডামি ও ইতিহাস বিকৃতির আস্ফালন’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

কিন্তু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এটিকে যে ভাবেই সংজ্ঞায়িত করেন না কেন সিলেট আওয়ামী লীগ এটিকে সাধুবাদ জানাচ্ছে।

এ ব্যাপারে মন্তব্য জানতে চাইলে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে। তাই আমি সাধুবাদ জানাই।’

‘স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর অবদান যেমন অস্বীকার করার নয় তেমনই জিয়াউর রহমানের অবদান অস্বীকার করার নয়’- বিএনপির এমন মন্তব্যের ব্যাপারে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান একটি বাহিনীতে চাকরি করতেন। সে ক্ষেত্রে সরকার তাকে যখন যেখানে পাঠিয়েছে সেখানেই গিয়েছেন এবং দায়িত্ব পালন করেছেন, বা যুদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতার পরও জিয়াউর রহমান একই ভাবে সরকারের চাকরি করেছেন।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে করোনার টিকা গ্রহীতার সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়াল