টাকা লেনদেনে ব্যাংক সবচেয়ে নিরাপদ। যেখানে জাল টাকার কোন ছড়াছড়ি নেই, উল্টো জাল টাকা সনাক্ত করা হয়। কিন্তু ব্যাংকেই যখন জাল টাকার নোট ধরা পড়ে তখন সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়। বুধবার সোনালী ব্যাংক সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার শাখা থেকে ৫০ হাজার জাল টাকার একটি বান্ডেল নিয়ে বিপাকে পড়েন ভুক্তভোগী জামিল আহমদ।

তিনি জানান, সোনালী ব্যাংক জিন্দাবাজার শাখা থেকে ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন আজ। তখন তার সাথে ছিলেন উপশহর এলাকার বাসির আলী। টাকা উত্তোলন করে তিনি পূবালী ব্যাংক উপশহর শাখায় জমা দেওয়ার জন্য যান। পূবালী ব্যাংকে জমা দিতে গেলে ব্যাংক কর্মকর্তা জানান ৫০ হাজার টাকার বান্ডেল জাল।

তখন জামিল আহমদ ফিরে আসেন জিন্দাবাজার শাখায়। জাল টাকা বান্ডেল বলে অভিযোগ করলে- জিন্দাবাজার শাখার ব্যাংক কর্মকর্তা শেখ জুয়েল নোটগুলো পরিবর্তন করে দেন।

এভাবে যদি ব্যাংকেই জাল টাকা পড়ে থাকে তাহলে সাধারণ জনগণ আর কার উপর আস্থা রেখে টাকা লেনদেন করবে। সচেতন মহলে প্রশ্ন- ব্যাংকে জাল টাকার নোট আসলো কোথা থেকে? কারা জাল টাকা দিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ব্যাংক কর্মকর্তা শেখ জুয়েল জানান- সোনালী ব্যাংক জিন্দাবাজার শাখা এখনো পুরোপুরি ডিজিটালের আওতায় আসেনি। ডিজিটালের আওতায় আসলে এরকম সমস্যা হবে না। তবে ব্যাংকে জাল টাকা কোথা থেকে আসলো এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর না দিয়েই তিনি ফোন কেটে দেন।