সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতালে এন্টিজেন টেস্ট চালু হয়েছে। শনিবার (৫ ডিসেম্বর) থেকে এটি চালু করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

তিনি জানান, এই টেস্টের জন্য ৫০০ কীট ইতিমধ্যে হাসপাতালে এসে পৌঁছেছে। আরও ৫০০ কীট এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। হাসপাতালের টেকনিশিয়ানরা এন্টিজেন টেস্টের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র যাদের এক সপ্তাহধরে করোনার কোনও একটি উপসর্গ রয়েছে তাদেরই কেবল নমুনা সংগ্রহ করে এন্টিজেন টেস্ট করা হবে। তিনি বলেন, এন্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে গড়ে ২০ মিনিটের মধ্যে পজিটিভ ফলাফল পাওয়া যাবে। নেগেটিভ ফলাফল আসলে প্রয়োজনে আরটি পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টায় এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকদেশের দশটি জেলায় অ্যান্টিজেন টেস্টের কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পরীক্ষা করানো অনেক জরুরি। যেসব জেলায় পিসিআর ল্যাব নেই সেসব জেলায় অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করছি। এতে অল্প সময়ের মধ্যে টেস্টের রেজাল্ট পাওয়া যায়।

প্রাথমিকভাবে পঞ্চগড়, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, পটুয়াখালী, মেহেরপুর, মুন্সিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, যশোর, মাদারীপুর ও সিলেটে টেস্ট চালু হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের যেসব জেলায় পিসিআর ল্যাব নেই, সেসব জেলায় অ্যান্টিজেন শুরু করা হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, অ্যান্টিজেন টেস্ট লক্ষণ উপসর্গ দেখা দেওয়ার সাত দিনের মধ্যে করা হবে। দেশের দশটি সরকারি হাসপাতালের ল্যাবে এ টেস্ট করা হবে। এতে পিসিআর টেস্টের ওপর চাপ কমবে। আরও বলেন, পিসিআর টেস্টের সীমাবদ্ধতা হলো এর সেনসিটিভিটি কম তাই ভুল পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই অ্যান্টিজেন টেস্টে কোন রোগী নেগেটিভ হলে তাকে আবার পিসিআর টেস্ট করা হবে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

সাপ্তাহিক করোনা আপডেট।। বিয়ানীবাজারে নতুন আক্রান্ত ২, সুস্থ নেই