সিলেটের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনালে তাজমহল রেস্টুরেন্টের মালিকানা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিবহন শ্রমিক নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফলিক উদ্দিনের ডাকে সিলেট জুড়ে আজ বুধবার সকাল থেকে চলছে পরিবহন ধর্মঘট। এ ধর্মঘটের বিয়ানীবাজার উপজেলার সবকয়টি সড়কের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

ভোক্তভোগী সাধারণ মানুষের প্রশ্ন- সিলেট ঝামেলা হইছে, সমাধান সিলেটেই হবে, তাহলে বিয়ানীবাজারে ভোগান্তি কেন। যাদের জন্য ভোক্তভোগী মানুষের এসব প্রশ্ন- তাদের কাছেও এ প্রশ্নের কোন জবাব নেই।

আজ বিয়ানীবাজার-চন্দরপুর সড়কের কদুগঞ্জ, আলিশা কমিউনিটি সেন্টার ও নালবহর অংশে সড়কের তিন স্থানে গাড়ি ফেলে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করা হচ্ছে। মোটর সাইকেল ও বাইকেল ছাড়া সব ধরনের যানবাহন আটক করছেন অটোরিক্সা (সিএনজি) চালকরা।

চালকদের বেরিকেটে আটকা পড়া ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিন বলেন, কয়দিন পর পর পরিবহন ধর্মঘটের নামে মানুষের সাথে তামাসা করছে পরিবহন নেতার নামে কয়েকজন স্বার্থনেস্বী মানুষ। তাদের কারণে সাধারণ মানুষ আজ ভোক্তভোগী।

পরিবহন ধর্মঘটের কথা না জেনে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসা রাজিয়া বেগম বলেন, এখন না পারিয়ার বাড়ি যাইতাম, না পারিয়ার বাজারে যাইতাম। বড় মসকিলে আছি। তিনি অনেক অনুনয় বিনয় করেও বেরিকেট থেকে গাড়ি নিয়ে মুক্ত হতে পারেননি। রাজিয়া জানান, ব্যাংকে তারর নামে টাকা এসেছে (পিন)। এ টাকা আজই জরুরী প্রয়োজনে তুলতে হবে। কিন্তু ব্যাংকেই যেতে পারছি না।

পরিবহন ধর্মঘট পালনকারি এক অটোরিক্সা চালককে কি কারণে এ ধর্মঘট- সে জানায় গতকাল (মঙ্গলবার) সিলেটে আমাদের পরিবহন চালকদের উপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। তাই এ ধর্মঘট!