সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় মসজিদের সামনে সিএনজি অটোরিকশা রেখে নামাজ পড়তে ঢুকেছিলেন চালক। কিন্তু নামাজ শেষে আর গাড়িটি পাননি। ঘটনাটি গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বেটুয়ারমুখ জামে মসজিদের সামনে ঘটে।

ঘটনার ২৪ দিন পর অবশেষে গতকাল মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সেই গাড়ি চুরির মামলার দুই আসামিকে করতে সক্ষম হয়েছে দক্ষিণ সুরমা থানাপুলিশ। এছাড়াও উদ্ধার করা হয় গাড়িটি।

পুলিশ জানায়, গত ১৮ ডিসেম্বর সিএনজি অটোরিকশা চালক দুলাল মিয়া (৪০) দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বেটুয়ারমুখ জামে মসজিদের সামনে তার গাড়িটি রেখে জোহরের নামাজ পড়তে মসজিদে ঢুকেন। গাড়িটি নাম্বার প্লেটবিহীন ছিলো। নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে দুলাল আর গাড়িটি পাননি। এ বিষয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় গাড়ির মালিক মো. শরীফ আলীর (৩০) দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা (নং-০৯) রুজু হয়।

ঘটনার ২৪ দিন পর অবশেষে মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানাধীন ৮নং কান্দিরগাঁও ইউনিয়নের জাঙ্গাইল পয়েন্টের পাশের আলীম পেইন্টিং ওয়ার্কশপ থেকে সেই সিএনজি অটোরিকশা গাড়িটি উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় রুমন আহমদ (২০) নামের একজনকে আটক করা হয়। রুমন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বেটুয়ারমুখ গ্রামের মো. সালিক আহমদের ছেলে। রুমনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আলীম পেইন্টিং ওয়ার্কশপের মালিক মো. আমির হোসেন (২২) ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশকে জানায়।

রুমনের দেয়া সেই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে আমির হোসনকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। আমির সিলেটের জালালাবাদ থানার পশ্চিম জাঙ্গাইল গ্রামের মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। আটক রুমন ও আমিরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে এক খাল খননে খুশি হাজারো কৃষক, স্লুইসগেট অপসারণের দাবি