বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের দাসুরা গ্রামের কৃষক এবাদুর রহমান আলম সবজি চাষে স্বাবলম্বী হয়েছেন। বিঘা প্রতি ২০-৩৫ হাজার টাকা খরচ করে আয় করছেন লক্ষাধিক টাকা। নিজের বেকারত্ব ঘোছানোরা পাশাপাশি বর্তমানে তার উৎপাদিত সবজি উপজেলার বিভিন্ন বাজার সহ আশপাশের জেলাতেও সরবরাহ করা হচ্ছে।

চাষি আলম জানান, অল্প পুঁজি, কম পরিশ্রম ও বাজারজাত করতে সুবিধা হওয়ায় বেশ লাভবান হয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পরে বাড়ির জৈব সার ব্যবহার ও সামান্য পরিচর্যা করলেই অল্প দিনে ভাল ফলন পাওয়া সম্ভব।

তার বাগানে উৎপাদিত সবজির স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দুরদুরান্ত থেকে সবজি কিনতে আসেন তার বাগানে।

পরিশ্রমী এবাদুর রহমান আলম কেবল নিজেই স্বাবলম্বী হননি— তার কৃষিকাজে ৫-৭ জন মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেছেন। শুধু তা-ই নয়, এলাকার বেকার যুবকদের নিজ পায়ে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করছেন তিনি।
বিদেশী সবজি স্কোয়াশ, শীতকালীন সবজি শসা, টমেটো, লাউ, ফরাস, বরবটি রয়েছে তার বাগানে। পরিকল্পিতভাবে সবজি উৎপাদনের বাজারজাত করতে পারলে যে কেউ অল্প পুঁজিতে স্বাবলম্বী হতে পারবেন বলে তার আশা।

বিয়ানীবাজার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিছুজ্জামান জানান, শীতকালে এ অঞ্চলের বেশিরভাগ কৃষকরা সবজি চাষবাদ করেন। যা স্থানীয় সবজির চাহিদা মেটাতে সহায়তা করছে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

সবজি চাষে স্বাবলম্বী বেকার যুবক আলম