গোলাপগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বর্তমান মেয়র ও মেয়র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম রাবেলের শেষ নির্বাচনী পথসভা গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়া মহল্লা থেকে জগ মার্কার কর্মী সমর্থকরা বিকেল ২টার পর থেকে ৫নং ওয়ার্ডের দাড়িপাতন চত্তরে সমবেত হতে থাকেন। সেখান থেকে মিছিল বের করা হলে মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে চৌমুহনীতে এসে পথ সভায় মিলিত হয়।

এসময় মেয়র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম রাবেল বলেন, আমি উপ নির্বাচনে জয়ী হয়ে মাত্র দুবছর সময় পেয়েছি। এসময়ের মধ্যে যে বরাদ্দ পেয়েছি তা সব ওয়ার্ডের কাউন্সিলারদের পরামর্শের আলোকে সমভাবে বন্টন করে উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছি। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে কোন ওয়ার্ডের নাগরিকগণ বৈষম্যের শিকার হননি। আমি নির্বাচিত হলে আগামীতেও সমভাবে সকল ওয়ার্ডে উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাব। অতীতে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য ব্যবসায়ীরা নানা ভাবে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। মাসের পর মাস পৌরসভায় গিয়েও ট্রেড লাইসেন্স পাননি। আমি দায়িত্ব লাভের পর এক দিনের মধ্যে ব্যবসায়ীদেরকে ট্রেড লাইসেন্স দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। আগামীতে সুযোগ পেলে সবার সহযোগীতা নিয়ে গোলাপগঞ্জ পৌরসভাকে সন্ত্রাস মুক্ত, মাদক মুক্ত, অপরাধ মুক্ত একটি মডেল পৌরসভা গড়ে তুলব। এছাড়া পৌর এলাকার নাগরিকদের সুবিধার জন্য একটি পৌর গুরুস্থান ও একটি এ্যম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

গোলাপগঞ্জের ৪ হাজার পরিবারকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইতিমধ্যে এ প্রকল্পের জন্য সরকার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। আগামীতে সুযোগ পেলে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাগরিক সমাজের বিশুদ্ধ পানি সমস্যা সমাধান করবেন বলে জানান। উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে আগামী ৩০ জানুয়ারী জগ মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান রাবেল।

বিশিষ্ট মুরব্বি চান মিয়ার সভাপতিত্বে ও রাসেল আহমদের সঞ্চালনায় গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার বিশিষ্টজনের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা সাদিকুর রহমান, আব্দুল মালিক, সেমুয়েল হোসেন চৌধুরী সামু, আজমল আলী, রাহেল আহমদ চৌধুরী, এনায়েত করিম খোকন। পথ সভা শেষে মোনাজাত করেন হযরত বশির আহমদ (র.) শায়েখে বাঘার সাহেবের পুত্র হাফিজ খলিল আহমদ।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে অজ্ঞাত মহিলার লাশ নিয়ে রহস্য