বিয়ানীবাজারে একই পরিবারের ৫ জনসহ আরও ১৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ তথ্য জানিয়েছে। এ নিয়ে উপজেলা ৩৪৫ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। যাদের মধ্যে মারা গেছেন ১৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২২৮জন।

গত ২৪ এপ্রিল বিয়ানীবাজারে প্রথম করোনা ধরা পড়ে। করোনা প্রাদুর্ভাব সারা দেশে আগস্ট মাস থেকে কমতে শুরু করলেও প্রবাসী অধ্যুষিত বিয়ানীবাজার উপজেলার চিত্র বিপরীত। প্রায় প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন এখানকার বাসিন্দারা। সর্বশেষ শুক্রবার আলীনগরে একই পরিবারের ৫জনসহ ১৪ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৮জন নারী ও ৬জন পুরুষ রয়েছেন। আক্রান্তদের সকলেরই বয়স ১৬ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে একই পরিবারের ৫জন ছাড়াও একজন ইউপি সদস্য, একজন সেবিকা ও দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন।

নতুন আক্রান্তরা হলেন- আলীনগর ইউনিয়নের চন্দরপুর গ্রামের একই পরিবারের মাহফুজ আহমেদ চৌধুরী (১৬), মাসুদ আহমেদ চৌধুরী (২৪), এনাম আনোয়ার চৌধুরী (৬৭), সাজিয়া খানম চৌধুরী (৫০) ও আসমা খানম চৌধুরী (১০০), তিলপাড়া ইউনিয়নের দাসউরা গ্রামের তানজিনা ফেরদৌস (১৯), পৌরসভার পশ্চিম নয়াগ্রামের মনোয়ারা বেগম (২৭) ও কসবা গ্রামের মইজ উদ্দিন (৫৪), মাথিউরা ইউনিয়নের পূর্বপার গ্রামের ফিরোজা বেগম (৫৪), একইগ্রামের সিএইচসিপি মো. সাব উদ্দিন (৩৫) ও আব্দুল্লাহ আহমেদ (৩০), মোল্লাপুর ইউনিয়নের আব্দুলাপুর গ্রামের আলেয়া খাতুন (৭৫), মুড়িয়া ইউপি সদস্য ও বাগন গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪২) এবং বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা সেলিনা বেগম (৩০)।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু ইসহাক আজাদ বলেন, বিয়ানীবাজারে করোনার ভয়াবহ বিস্তার দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে এ ভয়াবহতা নিয়ন্ত্রণ করা কোনভাবেই সম্ভব হবে না। সবাইকে শারীরিক দূরত্ব মানার পাশাপাশি মাস্ক ব্যবহার করা অনুরোধ জানান তিনি।

এবিটিভির প্রতিবেদন-

জকিগঞ্জ: কাঁচা সড়কে হেঁটে চলাও দায়