এ যেন এক দীর্ঘ অপেক্ষার সমাপ্তি। এক বছর পাঁচ মাস ২৪ দিন বন্ধ থাকার পর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো আজ রোববার থেকে খুলেছে বিয়ানীবাজারের জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ও।

সকালে নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুস্মরণ করে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসলেও একজনের শূন্যতা অনুভব করছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্য বিদ্যালয়গুলোর প্রধান ফটকসহ পুরো ক্যাম্পাস বর্ণিল আয়োজনে সাজানো হলেও এই বিদ্যালয়টি ব্যতিক্রম। প্রধান ফটকে টানানো হয়েছে সাদাকালো শোকবার্তা সম্বলিত ব্যানার। সবার প্রিয় শিক্ষক সরোজ কান্তি দেব’র অকাল মৃত্যুতে শোকহত সবাই।

সরোজ কান্তি দেব বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিয়ানীবাজার পৌরশহরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। তার আকষ্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া পুরো প্রতিষ্ঠান জুড়ে।

বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র মাসুদ আহমদ মাহদী জানায়, এ বছর আমি বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। করোনা পরিস্থিতির কারনে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও স্যারের হাত থেকে নতুন বই গ্রহণ করেছি। এছাড়াও নিয়মিত এসাইনমেন্ট জমা দিতেও স্যারের দেখা মিলতো। স্যারের অকাল মৃত্যুতে খুবই খারাপ লাগছে।

দশম শ্রেণীর ছাত্রী তাসমিন ফেরদৌস জুই জানায়, স্কুলের ভর্তির পর থেকে এই পাঁচ বছরের স্যারের অনেক শাসন ও স্নেহের স্মৃতি রয়েছে। গতকাল স্যারের মৃত্যুর খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনী। খুব কষ্ট পেয়েছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিন বলেন, সরোজ কান্তি আমার বিদ্যালয়ের দীর্ঘ দিনের সহকর্মী। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরিণ যেকোন কাজে তার সক্রীয় অংশগ্রহণ থাকতো। গতকাল হঠাৎ মৃত্যু খবরে শুনে অনেকক্ষণ বাকরুদ্ধ ছিলাম। আজ অনেকদিন পর বিদ্যালয় খুলেছে অথচ তার উপস্থিতি নেই। পুরো প্রতিষ্ঠানে তার শূন্যতা বিরাজ করছে।

এবিটিভির বিশেষ প্রতিবেদন

বিয়ানীবাজারে টিকাগ্রহীতার সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াল, এসএমএসের অপেক্ষায় ২৬ হাজার


এবিটিভির বিশেষ প্রতিবেদন

বিয়ানীবাজারে টিকাগ্রহীতার সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াল, এসএমএসের অপেক্ষায় ২৬ হাজার