লবনের দাম বৃদ্ধির গুজব রটানোর সাথে যারা জড়িত তারা বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। সোমবার বিকাল থেকে লবনের দাম বৃদ্ধির গুজবে সাধারণ মানুষ দোকানে দোকানে ভীড়র করেন। বিয়ানীবাজার পৌরশহরের কলেজ রোডে লবন কিনতে আসা মানুষের কারণে যানজট দেখা দেয়।

বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোগ্যপণ্যের নির্ধারীত দামের বাইরে কোন ব্যবসায়ী বেশি দাম লাখলে কিংবা লবনের মধ্যে এসব পণ্যের দামবৃদ্ধির হুজব ছড়ালে তার বিরুদ্ধে সাথে সাথে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে। একই সাথে ফেসবুকে লবনের দাম বৃদ্ধির ইঙ্গিতবাহী কোন লিংক রয়েছে কিনা- তাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

এদিকে কয়েকবছর পূর্বে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেয়ে শিশু মারা গেছে- এরকম গুজব ছড়ানো হলে হাজার হাজার মানুষ ভীড় করেন বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেদিন পুরো পৌরশহরসহ হাসপাতাল এলাকায় দেখা তীব্র যানজট। তৎক্ষালিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) আব্দুস সালাম দ্রুত সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান গুজবের বিষয়টি সাধারণ মানুষকে অবহিত করতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, লবনের গুজবটি একই চক্রের হতে পারে, তারা পেঁয়াজের বাজার দরের অস্বাভাবিকতার সুযোগ নিয়ে লবনের দাম বৃদ্ধির গুজব ছড়িয়েছে।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর কর বলেন, সোমবার রাতে বৈরাগীবাজার থেকে আটক ব্যবসায়ীকের দুই ঘন্টা পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে গুজবের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনী পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা আমাদের দেয়া হয়েছে। আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। গুজব সৃষ্টিকারিদের দমন করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। কঠোর হস্তে এদের দমন করা হবে।