প্রথম ওয়ানডেতে দল অনায়াসে জিতেছে সাকিবের ঘুর্ণিতে। ৫ উইকেটে সেই ম্যাচটি সাকিবময় হয়ে যেত যদি পেতেন রান। শুরুতে সেরকম ইঙ্গিত দিলেও শেষ পর্যন্ত অল্পতেই আটকে যেতে হয়। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দল যখন বিপদে তখন ঢাল হলো সাকিবে উইলো। ম্যাচ জেতানো ঝলমল ইনিংস খেলেই ফিরলেন সাজঘরে। তবে
তবে অপরাজিত এ ইনিংসের খুত বলতে সেঞ্চুরি না পাওয়া।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টার বয় সাকিব গত ওয়ান বিশ্বকাপের পর থেকে একদিনের খেলায় বলতে গেলে তেমন রান পাননি। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পরও ব্যাটিংয়ে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন আন্তর্জাতিক কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেটে। শেষ পর্যন্ত রানের ফেরার মঞ্চটি বেঁচে নিলেন জিম্বাব্যুয়ের চলতি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। দলের অর্ধশতক পুরো হতে না হতেই তামিম, লিটন ও মিথুনের বিদায়। বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি সৈকতও। রান আউটের কাটা পড়ার সময় দলের সংগ্রহ ৭৫ রান।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে সাকিবকে ৫৫ রানের জুটিতে সঙ্গ দেন মাহমুদুল্লাহ। ছোট্ট আরেকটি জুটি (২৭) গড়ে ওঠে আফিফের সাথে। কিন্তু অপর প্রান্তের রানের খাতা স্বচল রেখে এগিয়ে যান সাকিব। আফিফের পর দ্রুত মিরাজ ফিরে গেলে চাপে পড়ে দল। স্বীকৃত কোন ব্যাটস না থাকায় হারের শংকা জেগে ওঠে টাইগার শিবিরে। শেষ পর্যন্ত সাইফুদ্দীনকে নিয়ে তীরে তরী বেড়ান দুষ্ট ছেলে সাকিব। কঠিন সময়ে সাইফুদ্দীনের (২৩) ব্যাটিংটিও নজর কাড়ে ক্রিকেট বোদ্ধাদের। অষ্টম উইকেট জুটিতে মহামূল্যবান ৬৯ রানের জুটি টাইগারদের জয় নিশ্চিত করে। জয়ের জন্য শেষ ছয় বলে তিন রানের দরকার সেখানে সাকিব প্রথম বলেই চার হাকিয়ে দলকে জয় তুলে দেন। অপরাজিত থাকেন ৯৬ রানে।

সকালে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাব্যুয়ে। নির্ধারীত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান করে স্বাগতিকরা। শরিফুল নেন চার উইকেট।

এবিটিভির বিশেষ প্রতিবেদন

বিয়ানীবাজার থেকে করোনার টিকা নিয়ে প্রবাসীরা পড়তে পারেন বিপাকে