পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে আজই ব্যাংকের শেষ দিন ছিল। শুক্র ও শনিবার সপ্তাহিক ছুটি এবং রবিবার থেকে মঙ্গলবার থেকে ঈদুল ফিতরের বন্ধ থাকায় ব্যাংকে স্বাভাবিকভাবে অন্য দিনের চেয়ে ভীড় বেশি ছিল। পুরো রমজান মাসে (জুন) প্রবাসী রেমিটেন্স এসেছে ৬০ কোটি টাকার বেশি।

পৌরশহরের বিভিন্ন ব্যাংক ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। ব্যাংকে টাকা উত্তোলন থেকে শুরু করে নতুন টাকা সংগ্রহ এবং খুচরা টাকা নেয়ার জন্য সাধারণ মানুষের উপস্থিতি বেশি ছিল। এ ছাড়া প্রবাস থেকে পাঠানো রেমিটেন্স গ্রহণ করতে গ্রাহকরা ব্যাংকে ভীড় করছেন।

নতুন টাকা ও খুচরো টাকা দিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষে হিমসীম খেতে হচ্ছে। এছাড়া টাকা প্রদানের চেয়ে গ্রহণ মাত্রা কয়েক গুণ বেশি হওয়া কিছু কিছু ব্যাংকে তাৎক্ষনিক অর্থ সংকটের মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ব্যাবস্থাপকদের সাথে আলাপ করে প্রবাসী রেমিটেন্স এর বিষয়ে অবহিত হওয়া গেছে। এবার রমজান মাসে এসবিএল ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, উত্তরা ব্যাংক, আল আরাফা ব্যাংকসহ প্রায় সবগুলো ব্যাংকে প্রচুর প্রবাসী রেমিটেন্স এসেছে। তবে এ মাত্রা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম।

উপজেলার ২৯ ব্যাংকের ৪৩টি শাখায় রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রবাসী রেমিটেন্স এসেছে ৬০ কোটি টাকার বেশি। গত বছর এ সংখ্যা ৬৫ কোটি টাকার উপরে ছিল। আজ শেষ দিনে রেমিটেন্স আসার উপর নির্ভর গতবারের রেমিটেন্সকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ।

প্রবাসী রেমিটেন্স নিয়ে ব্যাংক কর্মকতা রেজা বলেন, এবছর  প্রচুর প্রবাসী রেমিটেন্স এসেছে আমাদের ব্যাংক এসআইসএলে। আজ (বৃহস্পতিবার) মিলিয়ে শুধু রমজান মাসে প্রায় ৭ কোটি টাকার রেমিটেন্স উত্তোলন করা হয়েছে।