বিয়ানীবাজার উপজেলায় গত এপ্রিল মাসের শেষ দিক থেকে বিদ্যুৎ লোডশেডিং চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রতিদিন চাহিদার তুলনায় অর্ধেক পরিমান বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিং চরম আকার ধারণ করেছে। আসন্ন রমজান মাসেও বিদ্যুৎ লোডশেডিং একই মাত্রা থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

গ্রীষ্ম মৌসুমে বিয়ানীবাজারে বিদ্যুৎ চাহিদা শীত মৌসুমের চেয়ে দ্বিগুণ হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যায় পড়ছেন পল্লীবিদ্যুৎ দায়িত্বশীলরা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিয়ানীবাজার উপজেলার সর্বত্র লোডশেডিং করা হচ্ছে। পৌরশহর থেকে গ্রাম পর্যায়ে লোডশেডিং অতিষ্ট জনজীবন। রমজান মাসেও  বিদ্যুতের এ ভোগান্তি একই পর্যায় থাকবে বলে বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।

জাতীয় গ্রীড থেকে প্রতি ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে বিয়ানীবাজার। প্রতিদিনের বিদ্যুৎ সরবরাহ উঠানামা করছে। কোন দিন কোনদিন ১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বিয়ানীবাজার উপজেলার চাহিদা রয়েছে ১৫ থেকে ১৬ মেগাওয়াট।

পল্লীবিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, রমজান মাসে রটেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। একই সাবস্টেশনের আওয়াতাধীন এলাকা থেকে ইফতার, তারাবীহ ও সেহরী সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ রটেশনের মাধ্যমে চালু থাকবে।

পল্লীবিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের ডিজিএম অভিলাস চন্দ্র পাল বলেন, চাহিদার সাথে সরবরাহে ঘাটতি থাকায় বিদ্যুৎ লোডশেডিং হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি জাতীয় গ্রীড থেকে সরবরাহ আরও বাড়ানোর। আশা করছি রমজানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার।