শেষ ম্যাচে সমর্থকদের চাপ ও সমুদ্রপীষ্ঠ থেকে ইকুয়েডরের উচ্চতা ভাবাচ্ছিল মেসিদের। এসব ভাবনায় বিশাল ধাক্কা খেলার শুরুতে। মাত্র ৪৪ সেকেন্ড গোল করে ইকুয়েডর। রুদ্রিগেজের কাছ থেকে বল পেয়ে বাম প্রান্তে আনমার্ক রোমারিও ইবারা চমৎকার প্লেসে বল জালে জড়ান। স্তব্ধ হয়ে পড়ে আর্জেন্টিনার গ্যালারি। মুচড়ে ওঠে কোটি ভক্তের প্রাণ। কিছু সময়ের জন্য ভড়গে যায় মেসিরা।

যেখানে মেসির মতো ফুটবল যাদুকর বিদ্যমান সেখানে ফুটবল ঈশ্বরের অনেক চিত্রনাট্য রেখে দেন। পরবর্তী ৮৯ মিনিট কেবল মেসিময়। চিপ, বলি, স্লোরান, স্কিল, গতির মিশিলে একাই দলকে পৌছে দিলেন রাশিয়া বিশ্বকাপে।

কোটির হৃদয়ে হাসি ফুটিয়ে ম্যাচের ১২ মিনিটে হাসি ফুটান ফুটবল সম্রাট মেসি। ডি মারিয়ার সাথে ওয়ান টু ওয়ান খেলে বা প্রান্ত দিয়ে তীব্র গতির বলি জালে আচড়ে পড়ে। মেতে উঠে গ্যালারি। সবুজ গালিচায় এ ফুটবল শিল্পীর নৈপূন্যে ম্যাচের ২৭ মিনিটে ইকুয়েডরের জাল খুঁজে পায়। গতিময় ফুটবল শৈলী ঊপহার দিয়ে প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে বল জালে জড়ান।
২-১ গোলের ব্যবদানে বিরতী থেকে এসে পিরথম ১০ মিনিট চমৎকার খেলে ইকুয়েডর। এ সময় খেলার ধারার বিপরীতে মাসচেরানোর বাড়ানো বলি খুঁজে পায় আনমার্ক মেসিকে। বল ধরে কয়েক পা বাম দিকে সরে তিন ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে আলতো চিপে বল জালে পাঠীয়ে দেন। এ গোলে মেসির হ্যাট্রিক পূর্ণ করেন।

এরপর খেলার ৭৭ মিনিটে মেসি ও অতিরিক্ত সময়ে বদলি খেলোয়াড়া রুচ সহজ সুযোগ নষ্ট করায় ব্যবদান বাড়েনি।

খেলা শেষের বাঁশি বাজতেই উল্লাসেফেটে পড়ে গ্যালারি। বিশ্বকাপে খেলার শংকা দূর হওয়ায় মাঠে ডিগবাজি করেন মেসিরা।