বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে মাস্টার পিস। এ প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ শাখা গতকাল শনিবার বিয়ানীবাজার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে রাত ৮টায় ফটো কনটেস্ট ও এক্সিভিশনের (আলোকচিত্র প্রদর্শনীর) আয়োজন করে। ফটো কনটেস্টে দেশ বিদেশের ৫৪০ আলোকচিত্রির ছয় হাজার ৮টি ছবি জমা পড়ে। এসব থেকে জুরিবোর্ড ৩৭জন আলোকচিত্রি ৬০টি ছবি বাছাই করে প্রদর্শনীর আয়োজন করেন।

ফটোকনটেস্টে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রতিযোগীর মধ্যে নগদ অর্থ, সনদপত্র ও স্মারক বিতরণ করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থপতি, আলোকচিত্রি, নাট্যকার ও লেখক শাকুর মজিদ।

মাস্টার পিস বাংলাদেশের সভাপতি ফয়জুল সিমালের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক রাজু ওয়াহিদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মু: আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ ফটোপ্রাফি সোসাইটির এফবিপিএস ফখরুল ইসলাম, পঞ্চখন্ড গোলাবিয়া পাবলিক লাইব্রেরীর সম্পাদক আবু আহমদ সাহেদ।

প্রধান অতিথি শাকুর মজিদ বলেন, আলোকচিত্র একটা সময়ের ইতিহাস ধরে রাখে। যে কাল নিমেষে অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তা ধরে  রাখার জন্য আলোকচিত্রের বিকল্প নাই। মাষ্টারপিস বাংলাদেশের এ আয়োজনকে অভিনন্দিত করে তিনি আরো বলেন, পরর্বতীতে একটা প্রকল্প নিয়ে এই উপজেলার বিভিন্ন আঙ্গিক নিয়ে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটা আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করতে পারে- যা দালিলিক উদাহরণ হয়ে থাকবে।

মাষ্টার পিস বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক অলক শর্মার শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিয়ানীবাজার জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ও বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪ এর সম্পাদক আহমেদ ফয়সাল, আলোকচিত্রি সৈয়দ মনজুর হোসেন বাবু, মাষ্টারপিস মৌলভীবাজারের রিজিওনাল ক্লাবের সভাপতি তপন চৌধুরী, ধারাভাষ্যকার মাছুম আহমেদ প্রমুখ।

মাস্টার পিস বাংলাদেশের ফটো কনটেস্টে গ্রান্ড উইনার হয়েছেন চট্রগ্রামের তানভীর অনিক, দ্বিতীয় সিলেটের আয়শা সিদ্দীকা আশা এবং তৃতীয় হয়েছেন ভারতের কলকাতার অভিষেক চৌধুরী।
আয়োজক ও অতিথিবৃন্দ বিজয়ী আলোকচিত্রিদের মধ্যে পুরস্কারের নগদ অর্থ, সনদ ও স্মারক তুলে দেন।
পুরস্কার বিতরণ শেষে রাত ৯টায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে প্রধান অতিথি শাকুর মজিদ। তিনি প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া আলোকচিত্র দেখে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া আলোকচিত্রিদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।