মহামারী করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবেও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের বসবাসরত প্রবাসীদের সেবায় অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দ্বারা পরিচালিত সামাজিক সংগঠন এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। করোনার আঘাতে বিপর্যস্ত প্রবাসীদের সেবায় এই প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিয়োজিত রয়েছে সংগঠনটি। সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ, ত্রাণসামগ্রী বিতরণসহ প্রভৃতি সেবা নিয়ে অদ্যাবধি কমিউনিটির পাশে রয়েছে সংগঠনটি।

এছাড়াও মরণঘাতি এ ভাইরাস মোকাবেলায় মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ জীবাণুনাশক বিভিন্ন সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণের কর্মসূচিও পালন করেছেব সংগঠনের দায়িত্বশীলরা। এরই ধারাবাহিকতায় মানবসেবার স্বীকৃতি স্বরূপ কভিডকালীন সময় থেকে কমিউনিটির সেবায় নিয়োজিত থাকায় নিউইয়র্কের স্টেট সিনেটর কর্তৃক ‘স্টেট সিনেটর প্রসংসাপত্র’ পেলো সংগঠনটি।

করোনাকালীন মহামারী চলাকালীন সময়ে কমিউনিটির চাকুরীহারাদের পাশে থেকে কল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসে এই সংগঠনটি। বিগত কয়েক মাসে কয়েক সহস্রাধিক মানুষের আহারের যোগান দিয়েছেন তারা। সংগঠনের এই মহতী উদ্যোগেকে স্বাগত জানিয়েছেন স্টেট সিনেটর মাইকেল এন জেনারিস। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ সংগঠনটি মানবসেবায় এগিয়ে আসায় প্রশ্নগসাপত্র দান করেছেন তিনি।

সম্প্রতি এই প্রশংসাপত্রটি সংগঠনের পক্ষে গ্রহণ করেন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার বৈরাগীবাজারের কৃতিসন্তান, এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোহেল আহমদ এবং মৌলভীবাজারের খলিল্পুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের কৃতিসন্তান জাবেদ আহমদ। এছাড়াও এসময় সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

প্রশংসাপত্র গ্রহণের পর এক অনুভূতিতে সোসাইটির সভাপতি সোহেল আহমদ বলেন,  প্রশংসাপত্র পেয়ে ভালো লাগছে। তবে মানবসেবার মতো মহতী কাজের সাথে জড়িত থাকার স্বীকৃতি হিসেবে এই প্রশংসাপত্র পাওয়ায় সংগঠনের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। মানবসেবায় যেকোন উন্নয়নমূলক কাজে এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি কার্যক্রম সর্বদা অব্যাহত থাকবে। সাধারন সম্পাদক জাবেদ আহমদ বলেন, মানবসেবা ইবাদতের সামিল। ক্ষণস্থায়ী এই ধরায় যতদিন বেঁচে থাকবউন্নয়নে কাজ ক

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে গ্রামবাসীর নির্মিত বাঁশের সাকো দিয়ে চলবে যানবাহন