বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ও মাথিউরা এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারীবাজার ইউনিয়নে কোন ধরনের আগাম ঘোষণা ছাড়াই প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর, আবার কখনো কখনো বিকাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এসব এলাকায় আজ শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্তও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এতে ক্ষুব্ধ দুই ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা। কোন রকম আগাম ঘোষণা ছাড়াই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার বিষয়টাকে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বশীলদের খামখেয়ালীপনা ও অসচেতনতাকে দায়ী করছেন তারা।

মাথিউরার নাজিম উদ্দিন ও তিলপাড়ার আমিনুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী গ্রাহক এ প্রতিবেদককে জানান, গত প্রায় ৮/১০ দিন ধরে প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। কখনো দুপুরে, কখনোবা বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ সচল হয়। পল্লীবিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের কোন ধরনের আগাম ঘোষণা ছাড়াই প্রতিদিন হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় গৃহস্থালির নিত্যদিনের কাজে ব্যাঘাত ঘটছে বলে জানান তারা। তারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় কনকনে শীতের মধ্যে বসতবাড়িতে যেন অন্ধকার নেমে আসে।

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের আওতাধীন বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ও তিলপাড়া এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারীবাজার ইউনিয়নে পল্লীবিদ্যুৎ কর্মকর্তাদেরকে সংযোগ লাইন স্বাভাবিক রাখতে গাছ কাটাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করতে দেখা গেছে। এছাড়া কিছু এলাকায় পল্লীবিদ্যুৎ কর্মকর্তাদেরকে পুরাতন সংযোগ লাইন পরিবর্তন করে নতুন লাইন সংস্থাপনের কাজ চলছে।

এ বিষয়ে জানতে পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম অভিলাষ চন্দ্র পালের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ‘বিয়ানীবাজার নিউজ২৪’কে তিনি বলেন, জোনাল অফিসের আওতাধীন বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ও তিলপাড়া এবং গোলাপগঞ্জের বুধবারীবাজার ইউনিয়নে পল্লীবিদ্যুতের সংযোগ লাইন স্বাভাবিক রাখতে পুরাতন লাইন পরিবর্তন করে নতুন লাইন প্রতিস্থাপন এবং সংযোগ লাইনের উপরে থাকা গাছ ও গাছের বাড়তি অংশ কাটাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান থাকার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে। চলমান কাজ শেষ হতে আরও ৪-৫ দিন সময় লাগবে।

কাজ চলাকালীন সময়ে গ্রাহকরা সাময়িক ভোগান্তির শিকার হওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, চলমান কাজ শেষ হয়ে গেলে শীঘ্রই এই সমস্যা নিরসন হয়ে যাবে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-