লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে পাঁচ দিন পূর্বে যাত্রা শুরু করেছিলেন বিয়ানীবাজারের ইমন।  শনিবার পর্যন্ত পরিবারের সাথে তার কোন যোগাযোগ নেই। সে নিখোঁজ রয়েছে জানিয়েছে পরিবার। তবে স্বজনরা জানিয়েছেন, ইমনের সাথে থাকা বেঁচে আসা বাংলাদেশীরা জানিয়েছেন ইমন সাগরে মারা গেছে।

এদিকে ভূ মধ্য সাগরে পৃথক তিনটি নৌকা ডুবির ঘটনায় ইউরোপ পাড়ি দেয়ায় যাত্রা করা দুই শতাধিক শরনার্থির মৃত্যু হয়েছে। এরকম সংবাদ ইউরোপের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচার করে। এ মানুষের সাথে ইমনেরও মৃত্যু হয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে পরিবারে বইছে শোকের মাতম।

চার ভাইয়ের পরিবারের সংসারে সুদিন ফেরাতে লিবিয়া হয়ে ইউরোপের স্বপ্নে বিভোর ইমন দালালের মাধ্যমে প্রায় তিনমাস পূর্বে লিবিয়ায় পাড়ি জমান। বিয়ানীবাজার উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের ক্বারী আব্দুল খালিকের ছেলে হারুনুর রশীদ ইমন (৩০)। ফতেহপুর গ্রামে ইমনের বাড়িতে শোক বিরাজ করছে। খবর পেয়ে শান্তনা জানাতে স্বজনরা ছুটে এসেছেন। মর্মান্তিক এ সংবাদে প্রতিবেশিরা ভীড় করছেন ইমনের বাড়িতে। স্বজনদের শান্তনা জানাতে গিয়ে কেউ কেউ কান্নায় ভেঙ্গে পড়তে দেখা যায়।

ইমনের ছোট ভাই ঝুমন এ প্রতিবেদককে জানান, তিনমাস পূর্বে এক দালালের মাধ্যমে লিবিয়ায় পাড়ি জমান তার। এতোদিন থেকে তিনি লিবিয়ায় ছিলেন। তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হতো। দালালরা বড় নৌকায় সাগর পাড়ি দেয়ার কথা বলে মোটা অংকের টাকা নিলে ছোট প্লাস্টিক নৌকায় উঠিয়ে দেয়া হয় ইমনকে। এতে সাগড়ে নৌকাটি দুর্ঘটনায় পড়ে।

তিনি জানান, ইমনের সাথে থাকাদের কাছ থেকে জেনেছেন সে সাগরে ডুবে গেছে। তারা নৌকাতে থাকলেও বেঁচে ফিরেছেন। তবে পরিবার এখনো নিশ্চিত নয় ইমন বেঁচে আছে না মরে গেছেন। এদিকে পরিবার থেকে দালালদের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে নম্বর বন্ধ পাচ্ছেন ম্বজন রা।