ফেসবুক লাইভে এসে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ তোলে মন্তব্য করা যুবক নাজমুল ইসলাম অবশেষে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। আজ সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে এ বিবৃতি দেন।

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গত ১১ নভেম্বর মধ্যরাতে আপন বোনকে হাসপাতালে নিয়ে এসে কাঙ্খিত সেবা পাওয়ার পরও চিকিৎসক, নার্স তথা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লাইভ প্রচার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত স্বীকার করে তিনি ভবিষ্যতে এ ধরণের মিথ্যাচার থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে মুচলেকাও দিয়েছেন।

এ সময় বড়লেখা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ এ কে এম হেলাল উদ্দিন, অভিযুক্ত যুবকের অভিভাবক আব্দুল জব্বারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ ভিডিও প্রচারের প্রতিবাদে গত শনিবার সকালে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা কর্মবিরতিসহ নানা আন্দোলন কর্মসূচির ডাক দেন। বিষয়টি জেনে উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান ও বড়লেখা থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার সকালেই হাসপাতালে গিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে সংশ্লিষ্টরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে অভিযুক্ত যুবক নাজমুল ইসলাম তার অভিভাবকদের নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে ঘটনার জন্য ক্ষমা চান এবং মূল ঘটনার ব্যাপারে বিবৃতি দিয়ে একটি মুচলেকা প্রদান করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস জানান, নাজমুল ইসলাম নামের এক যুবক ফেসবুক লাইভে হাসপাতালের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট বিবৃতি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মুচলেকা দেওয়ায় মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বাদেপাশায় শীতার্তদের পাশে দাঁড়ালো আরিফুল আহাদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন