মৌলভীবাজারের বড়লেখায় করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গেল ৫ দিনে পৌরশহরে বিভিন্ন এলাকায় সাতটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে মাস্ক ছাড়াই ঘোরাফেরায় ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ১০২টি মামলায় ২৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এসব অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা। অভিযানে প্রশাসনকে সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করেছে বড়লেখা থানা পুলিশ।

এদিকে মাস্কের ব্যবহার ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের লক্ষ্যে অভিযান আরও জোরদারের পাশাপাশি দণ্ডের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। প্রথমদিন গত ২২ নভেম্বর পৌরশহরে পৃথকভাবে দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলকালে মাস্ক ছাড়াই ঘোরাফেরায় ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৩৮টি মামলায় ৭ হাজার ৬০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে মাস্কও বিতরণ করা হয়। দ্বিতীয় দিন ২৩ নভেম্বর ১৮টি মামলায় ৩ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। তৃতীয় দিন ২৪ নভেম্বর ১৭টি মামলায় ৩ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। চতুর্থ দিন ২৫ নভেম্বর ১৭টি মামলায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) পঞ্চম দিনের মতো অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ১২টি মামলায় ৩৩০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এসব অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত লায়লা নীরা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান বলেন, মাস্কের ব্যবহার ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে আমরা সাতটি অভিযান পরিচালনা করেছি। এসব অভিযানে ১০২টি মামলায় ২৩ হাজার টাকা জরিমানা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। যারা স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।