মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে। বুধবার উপজেলার কাঠালতলী, বারইগ্রাম, সুজানগরসহ বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের সালদিগা গ্রামের একজন বাণিজ্যিক গ্রাহককে অনুমোদনবিহীন গ্যাস বার্নার ব্যবহার করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখায় দুই সহস্রাধিক আবাসিক ও দুই শতাধিক বাণিজ্যিক গ্যাস সংযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে অনেক গ্রাহকের নিকট দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস বিল বকেয়া ছিল। স্থানীয় গ্যাস অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বকেয়া গ্যাস বিল আদায় করতে গিয়ে গ্রাহক কর্তৃক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিছু অসাধু গ্রাহক অনুমোদনহীন চুলা/বার্নার ব্যবহার করছিলেন। অবৈধ গ্যাস সংযোগের গোপন সংবাদ ও বকেয়া বিল আদায়ের জন্য জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড গত বুধবার অবৈধ গ্যাস সংযোগ, অবৈধ গ্যাস পাইপ লাইন উচ্ছেদ ও বকেয়ার কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের বাণিজ্যিক গ্যাস গ্রাহক আব্দুল কবিরের অনমোদনহীন গ্যাস সংযোগ পাওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিনের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ গ্যাস শ্রীমঙ্গলের ব্যবস্থাপক মাসুদ রানা, মৌলভীবাজারের ব্যবস্থাপক আওলাদ হোসেন, শ্যামা কান্ত চত্রবর্তী, কুলাউড়ার ব্যবস্থাপক আব্দুল ওহাব, মৌলভীবাজারের ডিজিএম রাসেন্দ্র কুমার সিংহ, পুলিশের এসআই ইয়াকুব আলী প্রমুখ।

জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (কুলাউড়া) আব্দুল ওহাব অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের বিশেষ অভিযান পরিচালনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, একজন বাণিজ্যিক গ্রাহককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে তার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারী ও বিল খেলাপিদের বিরুদ্ধে এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এবিটিভির প্রতিবেদন-