বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ (দক্ষিণ) ইউপি ছাত্রলীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠানের ব্যাপক প্রস্তুতি ও প্রচারণা চালিয়েও পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই কাউন্সিলের দিন গত সোমবার সকালে তা স্থগিত করা হয়। কাউন্সিলস্থলে পৌঁছে অনেক কাউন্সিলার হতাশ হয়ে ফিরে যান। দু’পক্ষের সংঘর্ষের আশংকায় নির্ধারিত কাউন্সিল স্থগিত করা হয় বলে দলীয় একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রায় ৭ বছর ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছিলো উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ। নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি উপজেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় গত সোমবার দক্ষিণভাগ ইউপি মিলনায়তনে কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারণ করে ব্যাপক প্রস্তুতি এবং এলাকার আনাচে-কানাচে মাইকিং প্রচারণা চালানো হয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজির উদ্দিনের ছেলে মাসুম আহমদ ও ইউনিয়ন আ’লীগের বহিস্কৃত (বর্তমানে দলে প্রত্যাবর্তনকারী) সভাপতি তাজ উদ্দিন লতার ছেলে কাউসার আহমদ প্যানেল ঘোষণা করে। এ দুই প্যানেলের কর্মী-সমর্থকরা নিজেদের প্যানেল বিজয়ী করতে কোমর বেঁধে মাঠে নামে। কাউন্সিলকে ঘিরে ব্যাপক গ্রুপিং-লবিং শুরু হয়। দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নেয়। হঠাৎ পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই নির্ধারিত দিন সোমবার সকালে কাউন্সিল স্থগিতের ঘোষণায় কাউন্সিলাররা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হন। গুঞ্জন রয়েছে, একটি প্যানেল বিজয়ী না হওয়ার আশংকায় সুকৌশলে কাউন্সিল স্থগিত করা হয়েছে। সরজমিনে সোমবার বিকেলে নির্ধারিত স্থানে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়নি।

ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত কুমার দাস জানান, পেশিশক্তি ও অর্থের বিনিময়ে জামায়াত-শিবির কানেকশনে একটি প্যানেল ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ঢুকে পড়ার চেষ্টা চালাচ্ছে-এমন অভিযোগে হুইপ শাহাব উদ্দিন এমপি’র পরামর্শক্রমে কাউন্সিল স্থগিত করা হয়েছে।