সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌরশহরের কলেজ রোড এলাকা থেকে সেবুল মিয়া নামে এক সিএনজি অটোরিকশা চোরকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় একটি চুরি মামলায় তাকে আটক করা হয়। এসময় তার সাথে থাকা সিএনজি অটোরিকশাটিও জব্দ করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, তার সাথে থাকা গাড়িটি বড়লেখা থেকে চুরি করে আনা।

আটক চোর সেবুল মিয়া (৩৫) সিলেটের বিশ্বনাথ থানার জানাইয়া মাঝপাড়া গ্রামের মৃত আলকাছ আলীর পুত্র। রবিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সে আন্তঃজেলা সিএনজি অটোরিকশা চোরচক্রের অন্যতম সদস্য।

পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই বিয়ানীবাজারের লাউতা ইউনিয়নের খালেদ আহমদ নামে এক যুবক তার সিএনজি অটোরিকশা চুরির অভিযোগ এনে বিয়ানীবাজার থানায় একটি মামলা (মামলা নং ৬) দায়ের করেন। ওইদিনই চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গাড়িরচালক ছয়ফুল ইসলাম (৩০) কে আটক করা হয়। পরদিন আটক ছয়ফুল বিজ্ঞ আদালতে ঘটনার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তার দুই সহযোগির নাম জানায়। আটক সেবুল মিয়া তাদেরই একজন।

এরপর সবশেষ শনিবার সন্ধ্যায় বিয়ানীবাজার পৌরশহরের কলেজ রোড থেকে একটি সিএনজি অতোরিকশাসহ সেবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আটকের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার সাথে থাকা অটোরিকশাটি মৌলভীবাজারের বড়লেখা থেকে চুরি করে আনার বিষয়টি স্বীকার করে সেবুল। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের বাউসাবাজারস্থ একটি গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে মামলায় উল্লেখিত সেই সিএনজি অটোরিকশাটি উদ্ধার করে পুলিশ।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এসআই শাহ মোহাম্মদ হিমেল শনিবার সন্ধ্যায় তাকে আটক করেন। এসময় একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয় সেটিও বড়লেখা থেকে চুরি করে আনা। এরপর তার দেওয়া তথ্যমতে চুরি যাওয়া আরেকটি সিএনজি অটোরিকশা ছাতক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত সেবুল মিয়া একজন পেশাদার চোর এবং আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য উল্লেখ করে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় ৩টি ডাকাতি ও ৫টি চুরির মামলা রয়েছে।

বিয়ানীবাজারে থেকে ৮ মামলার আসামী চোর ও ডাকাত দলের সদস্য আটক, ১টি অটোরিক্সা উদ্ধার