বড়লেখার উপজেলার প্রাচীন চান্দ্রগ্রামবাজার পশুর হাটটি শনিবার বিকালে লোকে লোকারণ্য হয়ে। পছন্দের পশু কিনতে সব বয়সী মানুষের ভীড় থাকলেও দাম চড়া হওয়ায় অনেকেই পশু না কিনে ফিরে গেছেন। তবে বেশিরভাগ মানুষের মুখে মাস্ক ছিল না। সবক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবনতা লক্ষ্য করা গেছে। এক্ষেত্রে বাজার ইজাদারদের পক্ষ থেকে কোন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি।

ঈদুল আযহার তিনদিন পূর্বে স্বাভাবিকভাবে চান্দ্রগ্রাম বাজারের পশুর হাটে মানুষের উপস্থিতি ছিল। বড়লেখা ও বিয়ানীবাজার থেকে পশু বিক্রি করতে দুপুর থেকে বিক্রেতারা বাজারে অবস্থান করতে থাকেন। দুপুর গড়ানোর সাথে সাথে বাজারে পশু ক্রয় করতে আসা মানুষের উপস্থিতি বেড়ে যায়। তবে গতবারের চেয়ে এবার পশুর এ হাটে গরুর দাম বেশি বলে জানান কয়েকজন ক্রেতা। আবার আকারের দিক থেকে মাঝারি গরুর সংখ্যা বেশি। অন্যান্যবারের মতো বড় গরুর তেমন একটা দেখা যায়নি।

ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ থাকায় গরুর বাজার চড়া বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। তবে এ বিষয়টি মানতে নারাজ বিক্রেতারা। তারা ন্যায্য মূল্য পেলেই তারা গরু বিক্রি করছেন।তবে বড়লেখা উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের দায়িত্বশীলরা বাজারের নির্ধারীত স্থানে উপস্থিত ছিলেন।

ক্রেতা সাহাব উদ্দিন বলেন, গতবার যে গরু ষাট হাজার দিয়ে কিনেছি এবার সত্তুর হাজার বলেও পাচ্ছি না। গরুর দাম এতো বেশি যে পছন্দের গরুর কিনতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। অপর ক্রেতা আব্দুল হাই বলেন, শুধু ঈদের বাজার নয়, অন্য সময়ও গরু কিনতে বাজারে আছি। তবে এবারের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। চাহিদার সাথে দাম তফাৎ অনেক। সেজন্য গরু না কিনে ফিরে যাচ্ছি।

এবিটিভির বিশেষ প্রতিবেদন

স্মাইল ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামের অসচ্ছলদের ঘরে ঘরে