বিয়ানীবাজারে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে ধর্ষক। মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতের বিচারক লায়লা মেহেরবানুর কাছে ওই ধর্ষক ১৬৪ ধারার জবানবন্দি প্রদান করে। এর আগে সোমবার তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে জকিগঞ্জের বাটশাইল গ্রামের বাসিন্দা মোতাহের আলীর ছেলে মামুন আহমদকে গ্রেফতার করে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মামুনকে মঙ্গলবার ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিল্লোল রায়।

ওসি হিল্লোল রায় জানান, কুড়ারবাজার ইউনিয়নের ১৮ বছরের তরুণীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয় ধর্ষক মামুনের। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মামুন গত ১৯ আগস্টে ওই তরুণীকে চারখাই থেকে অজ্ঞাত এলাকায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে ২১ আগস্টে চারখাই বাজারে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে রেখে যায় মামুন। কিন্তু মামুন ওই তরুণীকে কোন ঠিকানা বলেনি। শুধু তার নাম বলে আর বিয়ের অভিনয় করে। পরে বিষয়টি ওই তরুণী তার মা-কে জানালে তরুণীর মা বিয়ানীবাজার থানায় মামলা দাখিল করেন।

তিনি আরও বলেন, মামলা দায়েরের পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ধর্ষক মামুনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ধর্ষক মামুন তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনাস্থল দেখায় এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে গ্রামীণ সড়ক খাতে নজরকাড়া উন্নয়ন, পাল্টে যাচ্ছে জীবনযাত্রা