বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দ্বারকেশ চন্দ্র নাথকে বিদায় সংবর্ধিত করা হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) দুপুর ২টায় শিক্ষক মিলনায়তনে তাঁর অবসর গ্রহণ উপলক্ষ্যে শেষ কর্মদিবসে এ সংবর্ধনা প্রদান করেন কলেজের শিক্ষকবৃন্দ।

কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হক তালুকদারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান, মো. মনছুর আলমগীর, ড. আবু ইউসুফ মো. শেরুজ্জামন, মো. শহীদুল ইসলাম, প্রশান্ত কুমার মৃধা, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী অধ্যাপক ইফতেখার আলম, কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুর রহিম, দিবাকর তালুকদার, মো. তৌহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষের সহধর্মিণী অর্চনা দেবনাথ, প্রভাষক মো. আনোয়ার হোসাইন, ইশতিয়াক আহমেদ, উর্মী লাবণী চক্রবর্তী, মো. জহির উদ্দিন, আরবাব হোসেন, জুবায়ের আহমদ, হাবিবুর রহমান, ফয়জুর রহমান, অধ্যক্ষের ভাই সঞ্চয় কুমার নাথ, অধ্যক্ষের ভাই ও জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সাধন কৃষ্ণ নাথ, সাপ্তাহিক বিয়ানীবাজার বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ছাদেক আজাদসহ অধ্যক্ষের পরিবারবর্গ।

 

সভাপতির বক্তব্যে উপাধ্যক্ষ মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, একজন কর্মবীর অধ্যক্ষ প্রফেসর দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ স্যার। তাঁর কর্ম পরিচালনায় তিনি ছিলেন সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান। তাঁর হাত ধরেই কলেজের সামগ্রিক উন্নয়ন সাদৃশ্য হয়েছে। তাঁর এই কর্ম কখনো শেষ হওয়ার নয়৷ স্যারের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করছি।

বিদায়ী সংবর্ধিত অতিথি অধ্যক্ষ প্রফেসর দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ বলেন, আমি আমার যথাসাধ্য মতো কলেজ পরিচালনার কাজ করেছি। কলেজের সামগ্রিক উন্নয়নে সর্বাত্মক পাশে ছিলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ মহোদয়। তাঁর হাতেই কলেজের এতো উন্নয়ন ঘটেছে। যার পাশে থেকে আমাকে সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। সবাই ভাল থাকবেন, সুন্দর মতো কাজ করবেন।

প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জন্য বৃহৎ আয়োজনে প্রফেসর দ্বারকেশ চন্দ্র নাথকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়নি।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে একদিনে সর্বোচ্চ ২৪জন করোনা রোগী শনাক্ত