গত রোববারে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ঝরাপাতা ও মুড়িয়া হাওর খালে ‘অবৈধ ঘের’ স্থাপনে অভিযোগে উচ্ছেদ অভিযান চালায় বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসন। এর ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সিলেট জেলা পরিষদের দায়িত্বশীলরা পুনরায় ইজারাকৃত খাল ইজাদারদের বুঝিয়ে দিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার ঝরাপাতা ও মুড়িয়া হাওর খালটির নির্দিষ্ট জায়গা সরেজমিনে এসে ইজাদারকে বুঝিয়ে দেন জেলা পরিষদের সহকারি প্রকৌশলী সূর্যসেন রায়।

একই সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ঝরাপাতা ও মুড়িয়া হাওর খাল ইজারা প্রদানের অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

জেলা পরিষদের সহকারি প্রকৌশলী সূর্যসেন রায় ও জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার স্থাণীয়দের সাথে কথা বলেন এবং ইজাদারকে জায়গা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন বলে জানান। তারা বলেন, েইজারাকৃত খালের দখল ইজারাদার মুজিবুর রহমানকে বুঝিয়ে দিয়েছি। এ সময় স্থানীয় মুরব্বিরা উপস্থিত ছিলেন। গত কয়েক বছর থেকে যে জায়গায় জাল দিয়ে মাছ ধরা হয়েছিলো সেই জায়গাটি চিহ্নিত করে তাদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

অবৈধ ঘের স্থাপন করে উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানান ইজাদারদের সহযোগী মৎস্যজীবীরা। তারা বলেন, আমরা বৈধভাবে ইজারা নিয়েছি। কিন্তু টাকা খরচ করে ইজারা নেয়ার পর আমাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। এ ক্ষতি আমাদের কে দেবে, কার কাছে আমরা ক্ষতিপুরণ চাইবো, উপজেলা প্রশাসনের কাছে না জেলা পরিষদের কাছে।

জেলা পরিষদ থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলা লাউতা ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মুজিবুর রহমান ঝরাপাতা খাল ও মুড়িয়া হাওর খাল ইজারা নিয়েছিলেন। গত রোববার স্থানীয়দের অভিযোগ এবং নিষিদ্ধ নেটপাটা জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছিল। এর দুইদিনের মাথায় গতকাল মঙ্গলবার পুনরায় ইজারার নির্দিষ্ট জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে জেলা পরিষদ।

‌রাম্বুটান চাষে বিয়ানীবাজারের ফয়জুর রহমানের সফলতা