বিয়ানীবাজার পৌরসভা নির্বাচনে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৬৭ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৪নং ওয়ার্ডের সবচেয়ে বেশি ১২জন এবং সবচেয়ে কম ৭নং ওয়ার্ডে ২জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন কমিশন ৩নং ওয়ার্ডের কসবা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র’র ফলাফল বাতিল ঘোষণা করে। ফলে রিটার্নিং কর্মকর্তা অবশিষ্ট ৮ ওয়ার্ডের ৯ কেন্দ্রের ঘোষিতর পৌর নির্বাচনের ফলাফলে ৮জন সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর (মহিলা) ২জনকে বেসরকারি বিজয়ী ঘোষণা করেন।
১নং ওয়ার্ড শ্রীধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: এ ওয়ার্ডে ৯জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে এ ওয়ার্ডের এমাদ আহমদ জয়লাভ করেন। এ ওয়ার্ডে ৩১০৪ জন ভোটারের মধ্যে ৭০.৯৭ শতাংশ হারে ২২০৩ ভোট কাস্ট হয়। বৈধ ভোট ২১৫৬টি অবৈধ (বাতিলকৃত) ৪৭টি। নির্বাচন অফিসের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থী আফজাল হোসেন ১৫৯ ভোট (ব্রিজ), আব্দুল কবির ১৯৫ (গাজর), এমাদ আহমদ ৫৫৩ (ব্লাক বোর্ড), খছরুজ্জামান ২৭১ (পাঞ্জাবি), মো. আমীর হোসেন ৩ (টিউব লাইট). মো. ফখরুল ইসলাম ৪১৪  (টেবিল ল্যাস্প), মো. মারুফ আহমদ ১৪৬ (পানির বোতল), মো. সহিদ আলী ২১ (ডালিম) এবং মো. সুমন আহমদ ৩৯৪ (উটপাখি) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী এমাদ আহমদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন ফখরুল ইসলাম।

২নং ওয়ার্ড কসবা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়: এ ওয়ার্ডে ৪জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে এ ওয়ার্ডের ছয়ফুল আলম (ঝুনু) জয়লাভ করেন। এ ওয়ার্ডে ১৮০৬ জন ভোটারের মধ্যে ৭১.৪৮ শতাংশ হারে ১২৯১ ভোট কাস্ট হয়। বৈধ ভোট ১২৫৬টি অবৈধ (বাতিলকৃত) ৩৫টি। নির্বাচন অফিসের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থী মো. ওয়াহিদুর রহমান (টিপু) ৪৮২  টেবিল ল্যাম্প), মো. ছয়ফুল ইসলাম (ঝুনু) ৭০৪ (ডালিম) হাজী মো. আলকাছ উদ্দিন ৫০ (উটপাখি) এবং হাজী মো. এনামুল হক ২০ (পাঞ্জাবি) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী ছয়ফুল ইসলাম (ঝুনু)’র নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন মো. ওয়াহিদুর রহমান (টিপু)।

৩নং ওয়ার্ড কসবা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এ ওয়ার্ডে ৯জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

৪নং ওয়ার্ড খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: এ ওয়ার্ডে ১২জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে এ ওয়ার্ডের মো. আকছার হোসেন জয়লাভ করেন। এ ওয়ার্ডে ২৩৮৩ জন ভোটারের মধ্যে ৭১.৫৮ শতাংশ হারে ১৭০৪ ভোট কাস্ট হয়। বৈধ ভোট ১৬৩৮টি অবৈধ (বাতিলকৃত) ৬৬টি। নির্বাচন অফিসের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থী জিলা মিয়া ২১৬  (ঢেড়শ), মো. হাবিবুর রহমান  ৯৫ (গাজর) মো. আকছার হোসেন ৩৫১ (পানির বোতল) মো. আব্দুল আজিজ ৩৪ (ফাইল কেবিনেট), মো. আবু বক্কর সিদ্দিক ৫৯  টেবিল ল্যাম্প), মো. ওয়াহিজ্জুমানান ১৪৭  (ডালিম), মো. ছাদিকুর রহমান ৩৭ (টিউব লাইট), মো. জমির আহমদ ১৫২ (উটপাখি), মো. লুৎফুর রহমান ৯২ (ব্লাক বোর্ড), মো. সিফার আহমদ ৪৫ (ব্রিজ), সাইবুল আলম রেজা ১১৮ (পাঞ্জাবি) এবং হাজী আব্দুন নূর ২৯২ (স্কু ড্রাইভার) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী মো. আকছার হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন হাজী আব্দুন নূর ।

৫নং ওয়ার্ড পিএইচজি উচ্চ বিদ্যালয়: এ ওয়ার্ডে ৭জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে এ ওয়ার্ডের নাজিম উদ্দিন জয়লাভ করেন। এ ওয়ার্ডে ৩০৩৬ জন ভোটারের মধ্যে ৫৬.২৩ শতাংশ হারে ১৭০৭ ভোট কাস্ট হয়। বৈধ ভোট ১৬৪৮টি, অবৈধ (বাতিলকৃত) ৫৯টি। নির্বাচন অফিসের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থী কান্তি চক্রবর্তী ১৩৮ (ব্রিজ), জুনেল আহমদ ৪৮ (পাঞ্জাবি) নাজিম উদ্দিন ৪৩১ (উটপাখি), নিজাম উদ্দিন ১৫২ (গাজর), মো. আরিফ উদ্দিন তুহিন ১৯৮  টেবিল ল্যাম্প), মো. সাইফুল ইসলাম ৩২৬ (ডালিম) এবং মো. সেলিম উদ্দিন ৩৫৫ (পানির বোতল) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী নাজিম উদ্দিন’র নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন মো. সেলিম উদ্দিন।

৬নং ওয়ার্ড বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ও বিয়ানীবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র: এ ওয়ার্ডে ৫জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে এ ওয়ার্ডের মো. সরাজ উদ্দিন জয়লাভ করেন। এ ওয়ার্ডে ৩৭৭১ জন ভোটারের মধ্যে ৫৫.৪৬ শতাংশ হারে ২০৮০ ভোট কাস্ট হয়। বৈধ ভোট ১৯৮৩টি অবৈধ (বাতিলকৃত) ৯৭টি। নির্বাচন অফিসের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থী আবু আহসান মো. আশরাফ ২৬৫ (উটপাখি), মো. ছালেহ আহমদ হেলাল ৪২৪ (গাজর) মো. বেলায়েত হোসেন ৫২৫ (ডালিম), মো. লোকমান আহমদ ১৭২ (টিউব লাইট) এবং মো. সরাজ উদ্দিন ৫৯৭ (পানির বোতল) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী মো. সরাজ উদ্দিন’র নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন মো. বেলায়েত হোসেন।

৭নং ওয়ার্ড খাসাড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: এ ওয়ার্ডে ২জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে এ ওয়ার্ডের মিছবাহ্ উদ্দিন জয়লাভ করেন। এ ওয়ার্ডে ২৪০৫জন ভোটারের মধ্যে ৫৬.১৩ শতাংশ হারে ১৩৫০ ভোট কাস্ট হয়। বৈধ ভোট ১৩০৮টি অবৈধ (বাতিলকৃত) ৪২টি। নির্বাচন অফিসের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থী মিছবাহ্ উদ্দিন (টিপু) ৮১৭  (উটপাখি) এবং  স¤্রাট শেখর ৪৯১ (টেবিল ল্যাম্প) ভোট পেয়েছেন।

৮নং ওয়ার্ড সুপাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: এ ওয়ার্ডে ৮জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে এ ওয়ার্ডের আব্দুল কাইয়ুম জয়লাভ করেন। এ ওয়ার্ডে ২৮৫৮ জন ভোটারের মধ্যে ৬২.২৫ শতাংশ হারে ১৭৭৯ ভোট কাস্ট হয়। বৈধ ভোট ১৭৩০টি অবৈধ (বাতিলকৃত) ৪৯টি। নির্বাচন অফিসের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল কাইয়ুম ৪৪৩ (ব্রিজ), আলী আহমদ বদরুছ ছালাম ৬৮ (গাজর), জাহাঙ্গীর আলম ৫৬ (ব্লাক বোর্ড), মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন  ২৮৯ (উটপাখি), মোহাম্মদ এনাম উদ্দিন ৩২৭ (পাঞ্জাবি) মো. আব্দুল হান্নান ১৪০  টেবিল ল্যাম্প), মো. এনামুল হক ১৩৫ (ডালিম) এবং মো. এবাদুর রহমান রহমান ২৭২ (পানির বোতল) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী আব্দুল কাইয়ুমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন মো. মোহাম্মদ এনাম হোসেন।

৯নং ওয়ার্ড নিদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: এ ওয়ার্ডে ১১জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে এ ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান আফজল জয়লাভ করেন। এ ওয়ার্ডে ২২৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৬৬ শতাংশ হারে ১৪৭৬ ভোট কাস্ট হয়। বৈধ ভোট ১৪৩১টি অবৈধ (বাতিলকৃত) ৪৫টি। নির্বাচন অফিসের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রহমান আফজল ৩৭৬ (টেবিল ল্যাম্প), আবুল হাসনাত নাসির ১১ (ফাইল কেবিনেট) মনির আলী ১৩৬ (ব্লাক বোর্ড), মো. এমদাদুর রহমান ১৮৩ (ডালিম), মো. কবির আহমদ ৬০ (গাজর), মো. জাফর সিদ্দিক ১০৫ (টিউব লাইট), মো. বাবুল হোসেন ১৩৫ (উটপাখি), মো. শাহজাহান কবির ১১১ (পানির বোতল), মো. সরওয়ার হোসেন ১০৮ (পাঞ্জাবি), শফিক উদ্দিন ৯৩  (ঢেঁড়শ) এবং  শাহাজানুল ইসলাম (লায়েক) ১১৩ (ব্রিজ) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী আব্দুর রহমান আফজল’র নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন মো. এমদাদুর রহমান।