বিয়ানীবাজার থেকে সিলেট যাওয়ার পথে একটি প্রাইভেট মাইক্রোবাসে উঠেন উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামের আয়নুল ইসলাম। বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের সাবেক এ ছাত্রলীগ কর্মীকে মাইক্রোবাসে যাত্রিবেশি অপহরণকারিরা অজ্ঞান করে গাড়ি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ ঘটনা প্রায় এক সপ্তাহে পূর্বে ঘটে। সম্প্রতি আয়নুল অপরহরণ ও মুক্তিপণের বিষয়টি উল্লেখ করে বিয়ানীবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোতের বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন।

আয়নুল বলেন, জ্ঞান ফেরার পর একটি বাসার ছাদে হাত-পা বাঁধা অবস্থা আমাকে রাখা হয়েছে বুঝতে পারি। এ সময় সেখানে অপহরণকারি ৩/৪জন যুবক ছিল।

মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামের তাজুল ইসলামের পুত্র আয়নুল সিলেটের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত হয়েছেন। গত শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি সিলেট যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের উত্তরবাজার থেকে একটি মাইক্রেবাসে উঠেন। এ বাসে আগেই থেকে অন্য যাত্রিরা ছিল। চারখাই যাওয়ার পর হঠাৎ তার মুখে এক ধরনের স্প্রে ছোড়ে মারা হয়। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে জিম্মিকারিরা তার কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। জ্ঞান ফেরার আগেই অপহরণকারিরা তার মানিব্যাগ ও দুইটি মোবাইল হাতিয়ে নেয়। প্রাণের ভয়ে বন্ধুদের সহযোগিতায় এক লাখ মুক্তিপণ দিয়ে তিনি ছাড়া পান।

আয়নুল বলেন, এ রকম ঘটনা শুধু আগে শুনেছি। কিন্তু কখনো ভাবিনী বিয়ানীবাজার থেকে অপহুত হবো। লোক লজ্জার ভয়ে বিষয়টি নিজেদের মধ্যে রেখেছিলাম। এ ঘটনায় শারিরীক ও মানসিকভাবে আমি কিছুটা আহত হয়েছি।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অপহৃত কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাছাই-বাছাই করে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা তদন্ত করছেন।