বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের ১২০ নম্বর কক্ষে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল উপজেলা ছাত্রলীগ কর্মী খালেদ আহমদ লিটু (২৫)। ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই দুপুর পৌণে ১২টার দিকে কলেজের ইংরেজি বিভাগের এ কক্ষে তাকে হত্যা করা হয়েছিল।

লিটু হত্যার পেছনের রহস্য আজো উদ্দার করতে পারেনি পুলিশ। এক বছর তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট দায়ের করা হলেও বিচার কাজ শেষ হয়নি।
বিচার পায়নি নিহত লিটুর পরিবার। একমাত্র পুত্রকে হারানোর বেদনা নিয়েই দিন কাটছে বৃদ্ধ পিতা-মাতার।

২০১৭ সালের ১৭ জুলাই কলেজের ছাত্রলীগের দুইটি পক্ষের মধ্যে সকাল থেকে উত্তেজনা দেখা দেয়। দুই পক্ষের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আলাপের মাধ্যমে এ উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার আধঘন্টার মধ্যেই খুন হন লিটু। শান্ত কলেজ ক্যাম্পাস গুলির শব্দে কেঁপে উঠে।

কলেজের ইংরেজি বিভাগের ১২০ নম্বর কক্ষ থেকে পুলিশ লিটুর নিথর দেহ উদ্ধার করে। ওইদিনই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে এ মামলার সকল আসামী আদালত থেকে জামিন নিয়ে মুক্ত রয়েছেন।

২০১৭ সালের ১৮ জুলাই লিটুর পিতা খলিলুর রহমান বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় ৭জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছিলেন।