বিয়ানীবাজার উপজেলার ৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশ্য প্রহরির পদ শূন্য রয়েছে। এই সুযোগে এসব স্কুলে হচ্ছে চুরি ঘটনা। গত কয়েক মাসে উপজেলার ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে চুরি সংঘটিত হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাতে মুড়িয়া ইউনিয়নে ফেনগ্রাম-চন্দ্রগ্রাম-বাগন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সর্বশেষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

চুরি হওয়া ১০ স্কুলের মধ্যে ৯টির নৈশ্য প্রহরি নেই। শুধুমাত্র কেন্দ্র মাথিউরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সন্ধ্যা রাতে চুরি সংঘটিত হওয়ার সময় নৈশ্য প্রহরি কালাম রাতের খাবার খেতে বাসায় গিয়েছিলেন বলে জানান দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নৈশ্য প্রহরিবিহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৮০টি। এর মধ্যে ৪৩টি বিদ্যালয়ে নৈশ্য প্রহরি নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ৩৭টি স্কুলে নৈশ্য প্রহরি নিয়োগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেতে চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়া  নৈশ্য প্রহরি রয়েছে উপজেলার ১১৩টি স্কুলে।

নৈশ্য প্রহরিবিহীন উপজেলার আরেঙ্গাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোনাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আবঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহজালাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাসাড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েখ মাসের মধ্যে চুরি সংঘটিত হয়। এ সব স্কুল থেকে লেপটপ কম্পিউটার, ছুটির ঘন্টা, নগদ টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রি চুরি হয়েছে।

বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুম মিয়া বলেন, নৈশ্য প্রহরি না থাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে। তবে একটি মাত্র বিদ্যালয়ে নৈশ্য প্রহরি রাতের খাবার খেয়ে এসে দেখে স্কুলে চুরি সংঘটিত হয়। তিনি জানান, নৈশ্য প্রহরিহীন ৪৩ বিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া ৩৭টি বিদ্যালয়ে নৈশ্য প্রহরি নিয়োগে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চেয়ে পত্র দেয়া হয়েছে।