বিয়ানীবাজার পৌরসভার কসবা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত শিক্ষার্থীর মাতা গত ১৩ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিয়ানীবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছুরি দিয়ে নয়, সহপাঠীর কমলের আঘাতে আহত হয়েছে শিক্ষার্থী নাবিল

অভিযোগে উল্লেখ বিদ্যালয়ের নৈশ্য প্রহরি লুৎফুর রহমানের ভাগনা শিক্ষার্থী শাফাহিন আহমদ (১০) সহপাঠী নাবিল আহম্মেদকে নক কাটারের থাকা ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এতে রক্ত বেরিয়ে পড়লে নৈশ্য প্রহরি লুৎফুর রহমান বিদ্যালয়ের বাথরুমে নিয়ে নাবিলের ক্ষতস্থানে পানি দিয়ে রক্ত ঝরা বন্ধ করার চেষ্টা করেন। একই সাথে রক্তাক্ত জামা ধুয়ের রক্তের দাগ মুছার চেষ্টা করেছেন। নাবিলের মাতা আবিদা সুলতানা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি বরাবর দায়ের কথা অভিযোগে উল্লেখ করেন, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর জান্নাতুল ফেরদৌস এর কাছ থেকে ছেলে আহত হওয়ার খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে গিয়ে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। প্রচুর রক্তকরণ হওয়ায় চিকিৎসক তাকে সিলেট প্রেরণে পরামর্শ দেন। গত ১ আগস্ট আহত নাবিল ওসমানি হাসপাতালে ভর্তি করার পর হাসপাতালে চিকিৎসা ৪ আগস্ট বাড়ি ফিরে আসেন। বিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল ঘটনা ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন জানিয়ে তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবি করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আরিফুর রহমান বলেন, আহত শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে তাকে দেখে এসেছি। ঘটনাটি যাই হোক শিক্ষার্থীতো আহত হয়েছে। এবিষয়ে বিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল শিক্ষকের আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। তিনি বলেন, বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির জন্য দুই পরিবার ও বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করবো। আঘাতটি ছুরি বা ধারালো কোন কিছু করা হয়নি। এটি কলম দিয়ে ঘটিয়ে থাকতে পারে।