গত শুক্রবার ভোর ৬টা থেকেই বিয়ানীবাজারসহ সারাদেশে মহামারিকালের সবচেয়ে ‘কঠোরতম’ লকডাউন শুরু হয়েছে। এই লকডাউনের তৃতীয় দিনেও বিয়ানীবাজার পৌরশহরে কঠোর অবস্থানে ছিল উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি, পুলিশ ও ভিডিপি সদস্যরা।

লকডাউনের তৃতীয় দিন রোববার দিনভর বিয়ানীবাজার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কোন কারণ ছাড়াই বাইরে বের হওয়ায় এবং স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নিষেদ্ধাজ্ঞা উপেক্ষার দায়ে ২০টি মামলায় ১৬ হাজার টাকা জরিমানা গুনেছেন যান চালক ও মোটরসাইকেল আরহীসহ কয়েকজন পথচারী।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশিক নূর। এসময় তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের একটি টিম।

দিনভর পৌরশহরের দক্ষিণবাজার, উত্তর বাজার ও কলেজ রোড পয়েন্টে পুলিশ-বিজিবির অবস্থানকালে খাদ্যপন্য ও ওষুধের দোকান ব্যতিত বন্ধ ছিল বিপণিবিতান, দোকানপাট। সড়কে যানবাহন ও মানুষের সংখ্যাও ছিল অনেক কম। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে অনেকেই বাইরে বেরিয়েছেন। তবে তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট অতিক্রমকালে জিজ্ঞাসাবাদে মুখোমুখি হতে হয়। তবে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় অনেককেই ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।

শিগগিরই আসছে টিকার গ্রহণের বয়স সীমা ১৮ বছরে- বিয়ানীবাজারে টিকা নিতে দীর্ঘ সারি