সারাদেশের ন্যায় বিয়ানীবাজারেও চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের চতুর্থ দিনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অকারণেই বাইরে আসায় এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অকারণেই বাইরে আসার বিষয়টি ধরা পড়ে। একপর্যায়ে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েই ছাড়া পান ওই যুবক। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পৌরশহরের নিমতলা এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।

শুধু ওই যুবকই নয়, রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী মোটরসাইকেল, প্রাইভেট যানবাহন, সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে চলমান লকডাউনে সরকারি নির্দেশনা না মেনে বাহির হওয়ার কারণে অনেককেই পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হয়। স্বাস্থ্যবিধি অমান্য ও শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখায় কাউকে জরিমানা এবং পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কোন সদুত্তর দিতে না পারায় পুলিশ তাদেরকে বাড়িতে ফেরত পাঠায়।

এছাড়া নির্দেশনা না মানায় সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে যাত্রীদেরকে নামিয়ে দেয় পুলিশ। প্রশাসনিক তৎপরতায় ও কঠোর নজরদারিতে বিয়ানীবাজার চলছে চতুর্থ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে পৌরশহর ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের আনাগোনা ও যানবাহন চলাচল কম। জরুরি প্রয়োজনে যারাই বাইরে এসেছেন তাদেরকে মুখে মাস্ক পরিদান করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে থানা পুলিশের তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। বেশ কয়েকজনকে জরিমানাও করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে আসা পথচারীদের মধ্যে বিনামুল্যে মাস্ক বিতরণ করেছে থানা পুলিশের সদস্যরা।

সরকারের নির্দেশনা না মেনে যারা বের হয়েছে তাদেরকে পুলিশ কোনভাবেই ছাড় দিচ্ছে না। এমনকি তাদেরকে সর্তক করেও দিতে দেখা গেছে। শনিবার সকাল থেকে পৌরশহরের উত্তর, দক্ষিণ ও বাজার এলাকায় পুলিশের নজরদারি ছিলো চোখে পড়ার মতো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জকিগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসানসহ একদল পুলিশ।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন মসজিদ চন্দগ্রাম জামে মসজিদ