করোনা চোখ রাঙ্গানোর মধ্যে ঈদুল ফিতরের নতুন কাপড় কিনতে মার্কেট ও শপিংমলসহ কাপড়ের দোকানে মহিলা ও তরুণীদের উপচেপড়া ভীড়। সামাল দিতে হিমশীম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। তবে ঈদ ঘনিয়ে আসায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ায় খুশি বিক্রেতারা- বললেন বিক্রি হচ্ছে ভাল।

সকাল দশটা থেকেই মার্কেটে ক্রেতাদের সমাগম ঘটতে শুরু করে। গত কয়েকদিনের তুলনায় মঙ্গলবার সকাল থেকেই ক্রেতাদের উপস্থিতি ভাল ছিল। তবে আকাশ মেঘলা থাকায় দুপুরের দিকে ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে যাওয়ার শংকার কথা জানান ব্যবসায়ীরা।

আল আমিন সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী জাবেদ আহমদ বলেন, গত কয়েকদিনের চাইতে আজ (মঙ্গলবার) বিক্রি ভাল হচ্ছে একই সাথে আজকে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি। তিনি বলেন, তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে টপস্। আমরা বিভিন্ন রেডি পোশাকের সাথে টপসের নিত্যনতুন সংগ্রহ রেখেছি।

জামান প্লাজার ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান বলেন, লকডাউনের করণে রোজার শুরু থেকে মার্কেট- শপিংমল বন্ধ ছিল। বর্তমানে সরকারে নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যে দোকান খোলার রাখার সুযোগ দেয়ায় আমরা যেমন স্বস্তি পেয়েছি একই ভাবে সাধারণ মানুষও স্বস্তি পেয়েছেন। তিনি জানান, গত কয়েকদিন থেকে মার্কেটে ঈদের কেনাকাট করতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতা আসলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিক্রি ভাল হয় বলে জানান তিনি।

তরুণী ও মহিলাদের সাথে ঈদের কেনাকাটা করতে মার্কেটে এসেছে ছোট ছোট শিশুরা। অভিভাবকদের মুখে মাস্ক থাকলেও এসব শিশুদের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। এতে কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়ার শংকা রয়েছে।

বিয়ানীবাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম শামীম বলেন, লকডাউনের পর ক্রেতা সমাগম বেশ ভাল হচ্ছে। আমরা ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, একই সাথে একই পরিবারের কয়েকজন চলে আসেন যার কারণে দোকানের ভেতরে একটু ভীড় থাকে। ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই মাস্ক ব্যবহার করছেন।