বিয়ানীবাজারে আপন ছোট ভাইয়ের দায়ের কোপে ঘটনাস্থলে বড়ভাই নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর রাতে উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের কোনাগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম কামরুল হোসেন (২৪)। তিনি উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের কোনাগ্রাম এলাকার মৃত চান্দ আলীর পুত্র। নিহত কামরুল হোসেন চার ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। এ ঘটনার পর ঘাতক ছোট ভাই তানভীর হোসেন পলাতক রয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিলেটের সহকারি পুলিশ সুপার (সার্কেল) সুদীপ্ত রায়, বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল হক।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রবাস যাওয়া নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে প্রায়ই বাগবিতণ্ডা হতো। বুধবার রাতে এ নিয়ে দুই জনের মধ্যে কথাকাকাটি হয়। পরে বড় ভাই সুনাম উদ্দিনের মধ্যস্থতায় তারা শান্ত হয়। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে কামরুল হোসেন এবং তানভীর হোসেনের পুনরায় বাগবিণ্ডা শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে তানভীর দা দিয়ে কামরুলকে এলোপাতাড়ি কোপালে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়। মৃত্যু নিশ্চিত জেনে সবার অলক্ষে তানভীর পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে লাশের সুরত হাল সম্পন্ন করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওমসানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।

 

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। পুলিশ ঘাতক তানভীরকে গ্রেফতার করে সম্ভাব্য জায়গা অভিযান চালাচ্ছে।

সহকারি পুলিশ সুপার (সার্কেল) সুদীপ্ত রায় বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জের ধরে এ হত্যাকা- সংঘটিত হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। তবে এর পেছনে অন্য কোন রহস্য থাকলে তদন্তে সেটি বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ঘাতক তানভীরকে গ্রেফতার করতে সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষ