বিয়ানীবাজারে দুই পক্ষের বিরোধের জের ধরে প্রতিবেশি প্রতিপক্ষের হামলায় দুই যুবক আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে একজনের সাথে হামলাকারি পক্ষের মেয়ের ফোনালাপের জেরে এ হামলার অভিযোগে উঠেছে। গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের দক্ষিণভাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত দুজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

হামলায় আহতরা হচ্ছেন- উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের দক্ষিণভাগ এলাকার মোঃ খলিলুর রহমানের ছেলে আইয়ুব রহমান (২২) ও মাহমুদুর রহমান (২০)। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) আহতদের মা জাহানারা বেগম (৫০) বাদী হয়ে ৪ জনের নামোল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী খলিলুর রহমানের স্ত্রী ও ছেলেদের সাথে প্রতিপক্ষ প্রতিবেশী মখলিছুর রহমান পুর্ব শত্রুতার জেরে গত ৫ নভেম্বর বিকালে তাঁদের বাড়িতে এসে হামলা করেন। পরে অন্য প্রতিবেশিদের হস্তক্ষেপে তা মীমাংসা হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় খলিলুর রহমানের ছেলে আইয়ুব রহমানকে তার বাড়ির সামনে একা পেয়ে আগে থেকে উৎ পেতে থাকা মখলিছুর রহমান গংরা তার ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। এসময় আইয়ুব রহমানের আর্ত্মচিৎকার শুনে প্রথমে তার মা জাহানারা বেগম এবং পরে তার ছোট ভাই মাহমুদুর রহমান ছুটে আসলে সেও আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় আইয়ুব রহমান ও মাহমুদুর রহমানকে অন্য প্রতিবেশিরা তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আহতদের জখম মারাত্মক দেখে সিলেটে নিয়ে যাবার পরামর্শ দেন। পরে আহতরা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর কর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত করে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।