বিয়ানীবাজারে প্রতিবন্ধি তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনায় সহযোগীতার দায়ে ধর্ষিতা তরুণীর সৎ মাকেও গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে। গ্রেফতার যুবক হাসান আহমদ (২৬) উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের কাকরদিয়া গ্রামের আব্দুল হক লখাই মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, প্রতিবন্ধি ওই তরুণীর পিতা সৌদি আরবে বসবাস করেন। তিনি পরপর ৩টি বিয়ে করেন। এর মধ্যে আগের দুই স্ত্রীর সাথেই তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। ধর্ষিতা তরুণী ওই সৌদি প্রবাসীর ১ম স্ত্রীর গর্ভধারিত সন্তান। ধর্ষিতা ওই তরুণী সৎ মায়ের সাথে বাবার বাড়িতে থাকতেন। তার সৎ মা শিরীন বেগমের সাথে প্রতিবেশী ধর্ষক হাসানের পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এর রেশ ধরে রাত-বিরাতে হাসান তাদের বসতঘরে যাতায়াত করে। একপর্যায়ে তার কু-নজর পড়ে প্রতিবন্ধি ওই তরুণীর উপর। তখন সৎ মায়ের সহযোগীতায় লম্পট হাসান তাকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করে।

ধর্ষিতার আপন মা জানান, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মেয়ে এই খবরটি তাকে জানালে তিনি মেয়ে উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরপর আদালতের নির্দেশে পুলিশ প্রতিবন্ধি তরুণীকে উদ্ধার করে মায়ের জিম্মায় দেয়। পরবর্তীতে মেয়ের কাছ থেকে ঘটনার সকল বিষয় অবগত হয়ে দ্রুত তিনি তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি’তে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসা শেষে বিয়ানীবাজার থানায় গ্রেফতার হাসান আহমদ এবং সৎ মা শিরীন বেগমকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) জাহিদুল হক জানান, গ্রেফতারকৃত হাসান আহমকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ মামলার অপর আসামী শিরীন বেগমকেও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।



“বিয়ানীবাজার উপজেলার প্রথম ২৪ ঘন্টার টেলিভিশন ABtv’ র অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল, সাবস্ক্রাইব করে দেখতে থাকুন প্রতিদিনকার বিয়ানীবাজারের ঘটনাপ্রবাহ”নিচের লিঙ্কটি ক্লিকের মাধ্যমে সহজেই সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন ABtv
Subscribe: http://bit.ly/2OOvJad