বিয়ানীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে ইমন আহমদ (৩০) নামের এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত ব্যবসায়ী ইমন আহমদকে উদ্ধার করে স্বজনরা প্রথমে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফারেন্স করেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের দেউলগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ইমন আহমদ গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারীবাজার ইউনিয়নের বহরগ্রাম এলাকার মৃত আব্দুল মালিকের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি দেউলগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি এবং ইয়ানাদ পোল্ট্রি ফার্মের স্বত্তাধিকারী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত ইমন আহমদ গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা হলেও তার বসতবাড়ির সীমানার অর্ধেক অংশ বিয়ানীবাজার উপজেলায়। দীর্ঘদিন ধরে নিজের পৈত্রিক মালিকানাধীন জমিজমা নিয়ে প্রতিবেশি মুর্শেদ ও জুবেরের সাথে শত্রুতা তৈরি হয়। তারা দুজনেই সহোদর এবং কুড়ারবাজার ইউনিয়নের দেউলগ্রামের মতিউর রহমান নুনু মিয়ার ছেলে। এসব বিষয় নিয়ে শুক্রবার বিকেলে উভয়পক্ষের কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে মুর্শেদ ও জুবের মিলে দেশীয় অস্ত্র দা দিয়ে ব্যবসায়ী ইমনকে ৩/৪টি কোপ দেয়। এতে সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইমন আহমদ। এসময় মুর্শেদ ও জুবেরকে বাধা দিতে এসে একই এলাকার আরেক যুবক আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। পরে স্বজনরা ইমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফারেন্স করেন।

আহত ব্যবসায়ী ইমন আহমদের বড়ভাই সুমন আহমদ জানান, ইমনের শরীরের উরু থেকে হাটু পর্যন্ত ৩/৪টি কোপ দিয়েছে মুর্শেদ ও ইমন। ইমনকে নিয়ে আমরা এখন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও জানান, ইমনের চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহ্ন করে ফিরে এসে প্রশাসনের কাছে আইনী সহযোগিতা চাইবো।

এ ব্যাপারে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় বলেন, এরকম কোন অভিযোগ আমরা এখনো পাইনি। তবে কেউ অভিযোগ জানালে আমরা প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।