বিয়ানীবাজারে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে বুুুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ সময় আদালতে আসামিদেের ৭ দিনের রিমাণ্ড চেয়েছে পুলিশ। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতি আইনে দুটি মামলা করেছে থানা পুলিশ। এর আগে মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে পৌরশহরের খাসা পল্লীবিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে ডাকাতদের গ্রেফতার করা হয়।

ডাকাতদের গ্রেফতারের পর বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম। এসময় তিনি বলেন, বিয়ানীবাজারে বড় ধরনের ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র এমন সংবাদ পেয়ে আমরা তাদেরকে ধরার জন্যে পরিকল্পনা করি। একই সাথে প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের সর্বশেষ অবস্থান নজরে রেখেছিলাম। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, জকিগঞ্জ সার্কেল ও অফিসার ইনচার্জ হিল্লোল রায় এর নেতৃত্বে ডিবি দক্ষিণের পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১০/১২ জন ডাকাত পালিয়ে গেলেও তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হচ্ছে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার কাটাবিল গ্রামের মৃত মদরিছের ছেলে ইসলাম (৩৪), সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার সাদিমাপুরের বাঙ্গালহুদার খলিলুর রহমানের ছেলে হোসেন আহমদ (৩০) ও পশ্চিম নয়াগ্রামের মৃত মালু হােসেনের ছেলে সাইরুল ইসলাম (৩৩)।

এসময় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে একটি নাম্বারবিহীন সিএনজি চালিত (অটোরিক্সা), একটি ৬ চেম্বার বিশিষ্ট ১টি বিদেশী রিভলবার, দুইটি ওয়ান শুটারগান, ১৪টি কার্তুজ, গ্রীল কাটার, ৩টি লােহার তৈরী কাঠের বাটযুক্ত দা, একটি শাবল, দুইটি তালা ভাঙ্গার শাবল, একটি স্লাই রেঞ্জ, ১টি প্লাস্টিকের ক্রু ড্রাইভারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামসহ ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের মধ্যে ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে কমলগঞ্জ থানায় একাধিক গ্রেফতারী পরােয়ানা মূলতবীসহ ৭ মামলা ও সাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তবে আটক অন্যজন হোসেনের আহমদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

প্রথমবারের মতো বিয়ানীবাজারে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক 'ইনডোর ব্যাডমিন্টন স্টেডিয়াম'